ঢাকা, বুধবার, ১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

চালের দাম ৪০ টাকায় আনার চেষ্টা চলছে

প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :   চালের বর্তমান দাম নিয়ে সরকারের উদ্বেগের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দাম কমাতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। চাল আমদানিতে শুল্ক উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।চালের দাম ৪০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও ইফাদ আয়োজিত ‘এসডিজি বাস্তবায়নে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা’ বিষয়ক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আইনুন নিশাতের সঞ্চালনায় এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থার (এফএও) আবাসিক প্রধান সু লাজি, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মনোয়ার আহমেদ ও অতিরিক্ত সচিব সুলতানা আফরোজ।

 

 

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এক দশক ধরে দেশে ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশের বেশি জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে। আর দুই বছর ধরে তা ৬ শতাংশের বৃত্ত পেরিয়ে ৭ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। এখানে প্রতিবছর ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা লেগেই থাকে। এত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও আমরা ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছি। এর পেছনে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম।

 

 

 

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এ বছর আমরা খাদ্য সমস্যায় পড়েছি। গত এক দশকে আমরা এমন সমস্যায় পড়িনি। আগাম বন্যার কারণে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে চালের দাম বেড়ে গেছে। এতে আমরা সত্যিই উদ্বিগ্ন। তবে চালের দাম কমাতে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি মনে করি, চালের দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে রাখা উচিত। সরকার সেটি করার চেষ্টা করছে। চাল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ বছর মনে হয় তা সম্ভব হবে না।

 

 

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার সময় সরকার অভ্যন্তরীণ চাহিদা চাঙ্গা করার কৌশল গ্রহণ করে। সে কারণে বিশ্বমন্দার কবলে পড়েনি বাংলাদেশ। আমাদের সৌভাগ্য যে এত ঝড়ের পরও আমাদের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে আছে। রপ্তানিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।

 

 

 

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে এসে তাদের অর্থায়নে প্রকল্পগুলো দেখে জীবন-জীবিকার উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। ইফাদ বর্তমানে বাংলাদেশে ছয়টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

 

 

 

সেমিনারে জানানো হয়, ১৯৭৮ সাল থেকে ৩২টি প্রকল্পে বাংলাদেশে ইফাদ সরাসরি ৭২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই অর্থে উপকারভোগী ছিল এক কোটি সাত লাখ মানুষ।

Lead News এর আরও খবর
Translate »