প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :         বাড়িতে ঘুঘু চড়া নাকি অমঙ্গলের লক্ষণ। তবে সেই কুসংস্কারকে একেবারেই পাত্তা দিচ্ছেন না তুরস্কের ওসমানগাজী জেলার বুরসা শহরের মেয়র মুস্তাফা দানদার।

 

 

 

 

 

তাঁর টেবিলেই একটি প্রিন্টারের ওপর হঠাৎ প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ঘুঘু পাখি দেখেন তিনি। সেখান থেকে ঘুঘুটিকে তাড়াতেও নিষেধ করেন কর্মচারীদের। এরপর সেখানেই বাসা বানায় ঘুঘু পাখিটি।

 

 

 

 

 

 

মেয়রের নির্দেশে টেবিলের প্রিন্টার মেশিনের ওপর ঘুঘুটির বাসা যেভাবে রয়েছে সেভাবেই রেখে দিয়েছে কর্মচারীরা। প্রিন্টারটিও আর ব্যবহার করা হচ্ছে না।

 

 

 

 

তার দপ্তরে দর্শনার্থীরা এলে অনেকেই মনে করেছিলেন হয়ত কৃত্রিম বা খেলনা পাখি সাজানো রয়েছে টেবিলে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের ভুল ভাঙে। এভাবে বিষয়টি জানাজানি হতে থাকে। ক্রমে কয়েকটি গণমাধ্যমেরও নজরে আসে বিষয়টি।

 

 

 

 

 

 

এরপর থেকে দিব্যি ঘুঘুর বাসার পাশেই অফিস করছেন মেয়র। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে সংবাদও পরিবেশনে করেছে। মেয়রের প্রাণীপ্রীতির তারিফ করছেন সবাই।

 

 

 

 

 

 

 

ঘুঘুটির যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য কর্মচারীরা বেশ খেয়াল রেখেছে। শিগগিরই ঘুঘুটি ডিম দেবে বলে আশা করছেন তারা।