প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :               বাপ্পার বিয়ের খবরটা চাঁদনীর কাছে স্বাভাবিকই ছিল। কল পেয়ে বললেন,‘ভাই সকাল থেকে সবাই কল করছে। আমি কী উত্তর দিতে পারি বলেন? আমি কী বিয়ে করেছি? আমার ভাই কোনো অনুভূতি নেই।

 

 

 

 

আমি এখন অনুভূতিহীনতায় চলে গেছি। এছাড়া আমি কী করবো? আমার এখন কী করার আছে? প্রেম করে যাকে বিয়ে করেছিলাম। শুনছি সে বিয়ে করছেন।

 

 

 

 

 

আমি বাবা হারানোর শোকে রয়েছি। তার মধ্যে এসব খবর। এমন পরিস্থিতিতে মানুষ কী করে আমার জানা নেই। আমি কার জন্য কাঁদবো? বাবার জন্য নাকি স্বামীর জন্য?’

 

 

 

 

 

কেন বিচ্ছেদ হলো, কবে বিচ্ছেদ হলো। এসব নিয়ে তো আপনারা মুখ খুলছেন না। ‘বাপ্পাকে তো এসব জিজ্ঞেস করতে পারেন। আমি এসব নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। আমার মুখ খুলে গেলে অনেক জনপ্রিয় মানুষের মুখোশ খুলে যাবে। আমি বিতর্ক চাই না। আমি শুধু শান্তি চাই। আমি টায়ার্ড।’

 

 

 

 

 

তিনি একনাগাড়ে বলে গেলেন,‘ আপনারা জানেন আমি কেমন মেয়ে। ছোটবেলা থেকে শোবিজে আছি। আমার নামে কেউ কখনো রিউমারও ছড়াতে পারেনি। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।

 

 

 

 

 

আমি কার জন্য কাঁদবো, বাবার জন্য নাকি স্বামীর জন্য?”

একটি মানুষ, একটি বিয়ে আমার জীবনটাকে ঝড়ের মুখে ফেলে দিলো। আমি সম্মানের সঙ্গে মরতে চাই। এটুকু বলি কোন কিছুতেই আমার কোন হাত ছিল না। আমি আজও বাপ্পাকে স্বামী হিসেবে মানি ও সম্মান করি।’

 

 

 

 

 

বাবার মৃত্যু নিয়ে বলেন,‘আমার বাবা চলে গেছেন ৪১ দিন হলো আজ। এখন মা আমার একমাত্র ভরসা। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো এর জন্য আমার পরিবারকে দায়ী করবেন না।

 

 

 

 

 

মায়ের মানসিক অবস্থা খুব খারাপ। তার মাঝখানে মেয়ের সংসার নিয়ে কোনো খবরে তিনি আরও ভেঙে পড়ুন তা আমি চাই না। এ খবরে তিনি মারাও যেতে পারে।’

 

 

 

 

তিনি জানান, ‘গেল ৯ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তার বাবা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন আর্ট কলেজের শিক্ষক।

 

 

 

 

 

আর্ট কলেজের পাঠ্য ‘চারু শিল্প’ বইটি তিনিই লিখেছিলেন। টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। সেইসঙ্গে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পীও ছিলেন তিনি।’