প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :               খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পা মজুমদার আর জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী ও অভিনেত্রী মেহবুবা মাহনুর চাঁদনীী সংসার ভাঙ্গার খবর অনেক আগ থেকেই মিডিয়া পাড়ায় আলোচিত ছিল।

 

 

 

 

 

তবে গতকাল মিডিয়া পাড়ায় আলোচিত ছিল মডেল ও অভিনেত্রী তানিয়া হোসেনের সাথে বাপ্পা মজুমদারের নতুন বিয়ের খবর। আর বিয়ের খবরের সত্যতায় কিছুটা ইঙ্গিতও দিয়েছে বাপ্পা। তবে সেই গুঞ্জনের পুরো সত্যটা আজ প্রকাশ করতে পারেন জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।

 

 

 

 

 

যদিও ইতোমধ্যে বাগদানের কথা স্বীকার করেছেন তানিয়া হোসেইন ।

 

 

 

 

 

আর এদিকে সাবেক স্বামীর নতুন বিয়ের খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মেহবুবা মাহনুর চাঁদনী। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই কোনো অনুভূতি নেই। আমি এখন অনুভূতিহীনতায় চলে গেছি। আজ সকালে ঘুম ভাঙলো মোবাইলের কল পেয়ে।

 

 

 

 

 

 

কোনো এক সাংবাদিক ভাই জানালেন বিয়ে করছেন বাপ্পা। শুনে মুচকি হাসলাম। এছাড়া আমি কী করবো? আমার কী করার আছে? আমার কী করা উচিত? আমি বাবা হারানোর শোকে রয়েছি।

 

 

 

 

 

তার মধ্যে এ ধরনের খবর। এমন পরিস্থিতিতে মানুষ কী করে? আমি কার জন্য কাঁদবো? বাবার জন্য নাকি সংসারের জন্য? অন্য কোনো মেয়ে এই পরিস্থিতে থাকলে কী করতো আমার জানা নেই।’

 

 

 

 

 

বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে চাঁদনী বলেন, ‘সবাই কেন আমাকে কল দেয়? কেন এই বিচ্ছেদের ব্যাপারে বাপ্পার কাছে জানতে চায় না। বিয়ে তো সে করছে, আমি না।

 

 

 

 

 

 

আপনাদের উচিত তার কাছেই জানতে চাওয়া কেন বিচ্ছেদ হলো, কবে বিচ্ছেদ হলো। আমি এসব নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। আমার মুখ খুলে গেলে অনেক জনপ্রিয় মানুষের মুখোশ খুলে যাবে। আমি এসব বিতর্ক চাই না। আর বাপ্পার বিয়ের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত কিছু কোথাও শুনিওনি।’

 

 

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই জানেন আমি কেমন মেয়ে। আমার নামে কোনো বাজে রিউমার ছিল না কোথাও। আপনমনে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। একটি মানুষ, একটি বিয়ে আমার জীবনটাকে ঝড়ের মুখে ফেলে দিলো।

 

 

 

 

আজ যার খুশি সেই চাঁদনীকে নিয়ে আজেবাজে কথা ছড়ানোর সাহস পায়। তবুও আমি শান্ত থাকতে চাই। আমি সবকিছুর ফায়সালার মালিক আল্লাহর ওপর ভরসা করতে চাই। তিনি সব দেখেন ও জানেন। নিশ্চয়ই তিনি সব বিচার করবেন, আমাদের সবাইকে সম্মান নিয়ে বাঁচিয়ে রাখবেন।’

 

 

 

 

 

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনী জানালেন, গেল ৯ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তার বাবা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন আর্ট কলেজের শিক্ষার্থী।

 

 

 

 

 

আর্ট কলেজের পাঠ্য ‘চারু শিল্প’ বইটি তিনিই লিখেছিলেন। টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক হিসেবেও কাজ করেছেন। সেইসঙ্গে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পীও ছিলেন তিনি।

 

 

 

 

 

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২১ মার্চ ধানমন্ডির ২৭ সিয়ার্স রেস্টুরেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে বাপ্পা মজুমদার ও চাঁদনীর বাগদান হয়। বাপ্পা ও চাঁদনী ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের হলেও বাগদানের আগেই বাপ্পা ধর্মান্তরিত হয়ে আহমেদ বাপ্পা মজুমদার হন।

 

 

 

 

 

 

 

দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বাগদান সম্পন্ন হয়। পরে তাদের দুই পরিবার একসঙ্গে হয়ে ঘরোয়াভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।