প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :               যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ বন্ধ ঘোষণায় ডলারের মান শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে। এতে প্রভাব পড়েছে স্বর্ণের বাজারে। গত সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এ ধাতুটির দাম কমে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিন্মে পৌঁছায়। খবর রয়টার্স।

 

 

 

 

 

গত সোমবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে এক হাজার ২৮১ ডলার ৭৬ সেন্টে। গত ২৭ ডিসেম্বরের পর পণ্যটির এ দামই সর্বনিম্ন।

 

 

 

 

 

 

যদিও মঙ্গলবার দাম কিছুটা বেড়ে এক হাজার ২৯২ ডলার ৬৬ সেন্টে পৌঁছায়। এছাড়া আগামী জুলাইয়ে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের দর কমেছে দশমিক এক শতাংশ। এ বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে এক হাজার ২৯২ ডলার ৫০ সেন্টে।

 

 

 

 

 

কয়েক মাসজুড়ে এ দুই পরাশক্তির পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এক বৈঠকের পর ইতিবাচক ঘোষণা আসায় এই উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হয়েছে।

 

 

 

 

 

এর প্রভাবে সোমবার ডলারের মান বেড়ে যায়। এদিন ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মান নির্দেশক সূচক পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়। যদিও গতকাল মঙ্গলবার আবার তা দশমিক দুই শতাংশ কমে ৯৩ দশমিক ৪৭৮ পয়েন্টে পৌঁছায়।

 

 

 

 

 

সাধারণত ডলারের মান যখন দুর্বল হয়ে ওঠে, তখন স্বর্ণসহ নির্ধারিত বিভিন্ন ধাতুতে বিনিয়োগ নিরাপদ বোধ করে বিনিয়োগকারীরা। ফলে ধাতুটির দাম বাড়ে। আর ডলার শক্ত অবস্থানে থাকলে স্বর্ণের দাম কমে।

 

 

 

 

 

তাছাড়া রাজনৈতিক বা আর্থিক কোনো অস্থিরতা দেখা দিলেও এই পণ্যটির দর বাড়ে। কারণ এ সময় এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়ে যায়। স্বর্ণকে তখন মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগ ভাবে।

 

 

 

 

 

 

গত শনিবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তারা বাণিজ্যযুদ্ধ বন্ধ রাখতে একমত হয়েছেন। পরস্পরের ওপর শুল্ক আরোপ না করা সিদ্ধান্ত নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক দফায় একে অন্যের ওপর শুল্কারোপের হুমকি দিলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধাবস্থা শুরু হয়।

 

 

 

 

 

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই দেশ বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদল বেইজিংয়ে আলোচনায় বসে।

 

 

 

 

 

 

এতে সব বিষয়ে একমত না হতে পারলেও চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা কিছুটা কমেছে। বাকি বিষয়গুলো সমাধানে ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় দফায় আলোচনায় বসেছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।