শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ আগামী জাতীয় সংসদ
নির্বাচন ঘিরে দিনাজপুর-৬ আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে কোন্দল
মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। বর্তমান সংসদ সদস্য ছাড়াও আরো অন্তত ৩ জন
নেতা মনোনয়নের প্রত্যাশায় মাঠে কাজ করছেন। বর্তমান সংসদ সদস্য
শিবলী সাদিক সমর্থন ও বিরোধিতা এ দুই ধরনের চিত্র মিলেছে এলাকা
ঘুরে। আওয়ামী লীগের এক পক্ষ মনে করছে, আগামী নির্বাচনে এ আসনে
নতুন প্রার্থী না দিলে দল হেরে যাবে । অন্যপক্ষ বলছে, বর্তমান সংসদ সদস্য
শিবলী সাদিকের জনপ্রিয়তা এখনো তুঙ্গে রয়েছে।

 

 

অন্যদিকে বিএনপির দু’জন ও জামায়াতের একজন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে।
তবে তিন জনেই জোটভিত্তিক মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। জোটভিত্তিক
নির্বাচনে গেলে বিএনপি ও জোটের শরিক জামায়াত হয়ে উঠতে পারে
দলটির প্রার্থী নির্বাচনের প্রতিদ্ব›িদ্ব। এমনটাই মনে করছেন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

 

বিরামপুর,হাকিমপুর,নবাবগঞ্জ ও ঘোড়াঘাট এ ৪ উপজেলা নিয়ে গঠিত
দিনাজপুর-৬ আসন। এর মধ্যে ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা বিরামপুর ও
হাকিমপুর(হিলি) উপজেলা।এ চারটি উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৬ বা
জাতীয় সংসদের ১১ নম্বর আসন।

 

 

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন কোন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী,
তা নিয়ে অন্য দলের উৎসাহ খুব একটা দেখা না গেলেও আওয়ামী লীগে শুরু
হয়েছে তুমুল প্রতিযোগিতা। বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক
মনোনয়ন পাবেন কি না এ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে
জল্পনা-কল্পনার চলছে । সংসদ সদস্য ছাড়াও আওয়ামী লীগ থেকে এবার মনোনয়ন
প্রত্যাশা করছেন আরো ৩ জন নেতা। তাঁরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য
আজিজুল ইসলাম চৌধুরী, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি
আলতাফুজ্জামান মিতা ও নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক আতাউর রহমান।

 

 

অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন দুজন। তাঁরা হলেন
দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহŸায়ক লুৎফর রহমান মিন্টু ও
চিকিৎসক নেতা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডা. এ জেড
এম জাহিদ হোসেন। তাঁর বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে।
কিন্তু জোটভিত্তিক নির্বাচন করলে বিএনপিকে আসনটি জামায়াত
ঞড়মমষব ংপৎববহ ৎবধফবৎ ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ