প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :     সারাদেশে প্রতিনিয়ত ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে ।

 

 

 

 

লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।এর জন্য আত্মহত্যার পথ বেচে নেয় অনেক কিশোরি।এবার ধর্ষনের শিকার হলেন ভিখারির মেয়ে এমন জগন্ন্য ঘটনার সাক্ষী হলো পিরোজপুর।

 

 

 

 

 

জানা গেছে পিরোজপুরে এক ভিখারির মেয়েকে দুই ইউপি মেম্বারের নেতৃত্বে তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। দুই ইউপি মেম্বার সহ আরো পাচঁজনে তিন মাস ধরে মেয়েটিকে ধর্ষণ করলে অন্তসত্ত্বা হয়ে পরে সে।

 

 

 

 

 

অন্তসত্তা হওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হলে দুই ইউপি সদস্য মাসুদ ও নান্টু সহ পাচঁজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে মেয়েটির মা।স্থানীয়রা জানান, মা-মেয়েকে রেখে বাবা অনত্র বিয়ে করায় ভিক্ষা করে সংসার চালাতেন কিশোরীটির মা।

 

 

 

 

 

নির্জন স্থানে বাড়ী হওয়ায় ১৫ বছরের এ কিশোরীর উপর দৃষ্টি পড়ে এলাকার দুই ইউপি সদস্যের। তিন মাস আগে থেকে সুযোগ বুঝে তারা দিনের পর দিন ধর্ষণ করে মেয়েটিকে।

 

 

 

 

 

একপর্যায়ে ইউপি সদস্য মাসুদ ও নান্টুর সহযোগিতায় সাব্বির, মারুফুল ও সাইফুলও মেয়েটিকে ধর্ষণ করতে থাকে। এ সময় তারা হাত, পা ও মুখ বেঁধে মেয়েটির ওপর নির্যাতন চালাত। এরই মধ্যে মেয়েটি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

 

 

 

 

 

মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তনে মায়ের সন্দেহ হলে পরে সে সব খুলে বলে। এরপর এলাকার মুরুব্বিরা ব্যক্তিরা মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় নিয়ে আসে। এর পর থেকে মেয়েটি পিরোজপুর সদর থানার নিরাপত্তা হেফাজতে আছে।

 

 

 

 

 

 

এ ব্যপারে টোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, এমন ঘটনা আসলেই হতাসা জনক ‘আমি চাই যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের কঠোর শাস্তি হোক।’

 

 

 

 

 

 

 

টোনা ইউনিয়ন পরিষদের অভিযুক্ত দুই ইউপি সদস্য মাসুদ ও নান্টু এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, ‘মেয়েটিকে দিয়ে আমাদের নাম কেউ বলাচ্ছে।’আমাদের সাথে শত্রুতা করছে । আমাদের সম্মন হানি করার জন্য।