প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      দ্বিতীয়বার আর কোনও সন্তান জন্ম দিতে পারবেন না মা। কিন্তু সৎবাবার যে একটি ছেলে সন্তান চাই। তবে উপায় কী ? বাবা হওয়ার ইচ্ছে পূরণ করতে সৎবাবা বেছে নিল স্ত্রীর ১০ বছরের মেয়েকে। এ ঘটনাটি ঘটেছে লন্ডনে।

 

 

 

 

 

শুরু হল মেয়ের উপর যৌন নির্যাতন। চলেছিল ততিদন পর্যন্ত যতদিন না সে অন্তঃসত্ত্বা হয়। মেয়েটি যখন তার সৎবাবার সন্তানের জন্ম দেয় তখন তার বয়স ১৪। অভিযোগ মেয়ের উপর এই নির্যাতনের কথা জেনেও চুপ থাকত মা।

 

 

 

 

 

এখন সেই ১৪ বছরের কিশোরী ৫৪ বছরের মহিলা। সৎবাবার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ধর্ষণের মামলা এখনও চলছে। ছোটোবেলার সেই দিনগুলোর কথা আদালতে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এটা যখন প্রথম শুরু হয়েছিল তখন আমার বয়স ১০ বছর।

 

 

 

 

 

 

একদিন আমার সৎবাবা এসে বললেন আমাকে খেতে নিয়ে যাবেন। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। দোকান থেকে খেয়ে ফেরার পথে হঠাৎই বাবা একজায়গায় গাড়ি থামিয়ে দেন এবং আচমকা আমার আন্তর্বাসের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দেন।

 

 

 

 

আমি ভয় পেয়ে যাই। হাতটা সরাতে চেষ্টা করি কিন্তু পেরে উঠিনি। তারপর আমার সঙ্গে যা হয় সেটা স্বাভাবিক না সকলের সঙ্গেই এমন হয়ে থাকে তা বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না তখন। এরপর থেকে এটা দিনের পর দিন চলতে থাকে।”

 

 

 

 

 

মহিলা জানান, এরপর থেকে তাঁর সৎবাবা তাঁকে প্রতিদিন বাড়ির বেসমেন্টে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করত।

 

 

 

 

 

১৪ বছর বয়সে সৎবাবার সন্তানের জন্ম দেয় সে। কিন্তু তার মা প্রচার করতে থাকে একটি পার্টিতে একটি ছেলে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করে তার ফলেই সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ছেলের পিতৃত্ব কখনই শিকার করেনি তার সৎবাবা।