প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      দেশে পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারী মাদকাসক্তের সংখ্যা। সর্বশান্ত হচ্ছে অনেক পরিবার, অর্থ।এখন জীবন যুদ্ধে নি:স্ব চারদেয়ালে এক জীবন। প্রতিটি দিন ভয়াবহ দুর্যোগের মত।

 

 

 

 

 

কখনো রাগ, কখনো ক্ষোভ, আবার অভিমান থেকে মাদকাসক্ত। কেউ আবার শুধুই কৌতুহল, কিংবা বন্ধুর সাথে যোগ দেয় অন্ধকার এই জগতে। যখন সংগতি ফিরে পায় তখন ফেরার সব পথই বন্ধ।

 

 

 

 

 

এক নারী মাদকসেবী বলেন, বন্ধু-বান্ধবের কাছে আসা-যাওয়া করতাম তখন দেখতাম তারা মাদকগ্রহণ করতো, তাদের দেখে কৌতুহল বসত আমিও খেতাম।

 

 

 

 

 

আমি এখন মনের মতো চলাফেরা করতে পারতাম, যা ইচ্ছা খেতে পারতাম, কিন্তু এখন এমন পরিস্থিতিতে পরেছি যে আমি আমার ইচ্ছা মতো কোথাও যেতে পারছি না, যা ইচ্ছা তা করতে পারছি না।

 

 

 

 

নেশার জগতের শুরুটা রঙিন স্বপ্নে উড়ে বেড়ানো মতো। মাদক না পেলে নিজেকে শেষ করে দিতেও পিছ পা হন না অনেকেই। উন্মাদ জীবন তখন মন চায় যেকোনো কিছুর বিনিময়ে নেশার রেশ।

 

 

 

 

 

নারী মাদকসেবীর অনেকেই বন্ধু কিংবা আপনজনের হাত ধরে পা বাড়ায় বিষাক্ত এই জীবনে।মাদকের সহজ লভ্যতার কারণেই জাল বিস্তৃতি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। পুরুষের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারী মাদকসেবীর হার।

 

 

 

 

 

মাদকাসক্ত পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ উম্মে জান্নাত বলেন, নারী মাদকাসক্তদের ক্ষেত্রে দেখাগেছে সে ছোট বেলা থেকে যে পরিবেশটা থেকে বড় হয় পরিবেশের একটা প্রভাব থাকে, কিছুটা তার বংশগত প্রভাব থাকে। বন্ধুদের কাছ থেকেও সে আসক্ত হতে পারে। পরিবারের থেকে দুরে থাকা এটাও একটা অন্যতম একটা বড় কারণ।

 

 

 

 

 

 

এমন আরো অনেক গল্পই রয়েছে আমাদের চারপাশে, তারা কেউ আমদের বোন, স্ত্রী, বন্ধু, কিংবা আপনজন। শহর কিংবা গ্রাম মাদকের জাল ছিন্ন করতে এগিয়ে আসতে হবে আপনাকে, আমাকে, আমাদেরকে। আর নয় কাল ক্ষেপণ মদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হউক এখন থেকেই।