প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      ২০১৪ সালে সংখ্যাটা ছিল ৬০। ২০১৫ সালে দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে পৌঁছয় ১১২-তে। আর ২০১৬ সালে সংখ্যাটি ১৭০-১৯০-এ ঘোরাফেরা করছে। কোনও অর্থনৈতিক সূচক নয়।

 

 

 

 

এই সংখ্যাটি হল দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিটেনের যৌনপল্লি বা হাটের সংখ্যা। এই যৌনপল্লি বা যৌনহাটগুলির বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এই বৈশিষ্ট্যগুলিই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে ব্রিটেন পুলিশের কাছে।

 

 

 

 

স্থায়ী ঠিকানা নেই। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিটেনের স্যুইনডনে বিভিন্ন বেসরকারি ফ্ল্যাটে চলছে দেহব্যবসা। তবে দীর্ঘ সময় নয়, অল্প কয়েকদিনের জন্য।

 

 

 

 

 

তারপরই ঠিকানা পালটে অন্য এলাকায় বা বাড়িতে পাড়ি দেয় যৌনকর্মীরা। পুলিশি হিসাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে এভাবে ৩০টি নতুন যৌনপল্লি গড়ে উঠছে।

 

 

 

 

BBC-এর এক রিপোর্টে সম্প্রতি উঠে এসেছে, মূলত পোল্যান্ড ও রোমানিয়া থেকে পাচার করা যুবতী, মহিলাদের দেহব্যবসায় জোর করা হয়।

 

 

 

 

সপ্তাহে কমপক্ষে ৪০ জনকে এই যৌনপল্লি বা হাটগুলিতে পাচার করা হয় বলে জানা গেছে ওই রিপোর্টে। দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিটেনের লেক জেলায় পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে চলে দেহব্যবসা।

 

 

 

 

 

ব্রিটিশ গোয়েন্দা ক্রিশ হিচকক BBC-কে জানিয়েছেন, ‘এই যৌনকর্মীদের অনেকেই শহরের ভিতরে ও বাইরে যৌনব্যবসা চালান। এদের প্রত্যেককেই যে পাচার করা হয়েছে, তা ভুল।

 

 

 

 

 

অনেকে স্বেচ্ছায় একাজ করছেন। কেউ সামাজিক বা আর্থিকভাবে বাধ্য হয়ে।’ ব্রিটেনে প্রবেশ করা শরণার্থীদেরও যৌনব্যবসায় ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ।

 

 

 

 

 

 

এক্ষেত্রে বাড়ির মালিকরাও জড়িত থাকেন বলে জানা গেছে। অনেক মালিকই তাই বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সময় চুক্তি করেন না। তথ্য বলছে, গতবছর জুলাই থেকে এমন ১৪টি বাড়ি দেহব্যবসার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে।