প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     বিষয়টি নিয়ে দয়া করে bad মন্তব্য করবেন না। এটি বিশেষ করে ছেলে-মেয়েদের মানসিক-শারিরীকভাবে সুস্থ থাকতে জানার প্রয়োজন। অনেক ছেলেমেয়ে আছে যারা এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান না থাকার জন্য হস্তমৈথুন করে যার ফলে বিভিন্ন সমস্যার কারণ সৃষ্টি হয়।

 

 

 

 

 

এ থেকে মুক্তি পেতে লজ্জা না করে প্রয়োজন আমাদের ছেলেমেয়েদের সচেতনতা make করা। আসুন তা হলে জেনে নিই হস্তমৈথুন কুফল bad effect ও তার প্রতিরোধের কিছু উপায়।

 

 

 

 

 

হস্তমৈথুন এমন একটি অভ্যাস যা একবার কাউকে পেয়ে বসলে ত্যাগ করা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। শুধু তাই না অভ্যাসটিই এক সময় অনেকের যৌনজীবন বিপর্যস্ত করে তোলে। হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের problem হয়—(১) মানসিক সমস্যা। (২) শারীরিক problem ।হস্তমৈথুনের ফলে যে ধরনের problem দেখা দিতে পারে :

 

 

 

 

 

– পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যেসব সমস্যায় ভুগতে পারে তার মধ্যে একটি হল নপুংসকতা (Impotence)।। অর্থাৎ ব্যক্তি যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়।পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরেনপুংসক(Impotent)হয়ে যায়।

 

 

 

 

 

– অকাল বীর্যপাত( Premature Ejaculation) অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে। ফলে husband তার স্ত্রীকে (wife) সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক relation বেশিদিন স্থায়ী হয় না।।

 

 

 

 

 

 

– Temporary Oligospermia।।Oligospermia হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম। [২ কোটি]। যার ফলে Male infertility দেখা দেয়। অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয়। একজন পুরুষ যখন স্ত্রী (wife) গমন করেন তখন তার থেকে যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত।

 

 

 

 

 

 

স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয় না।।অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।Dr.Liu বলেন–

 

 

 

 

এবং আরো অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ-বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়।– চোখের ক্ষতি হয়।

 

 

 

 

 

– স্মরণ শক্তি কমে যায়।

– মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক problem হয় হস্তমৈথুনের কারণে।

– আরেকটি problem হল Leakage of semen।অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া।

 

 

 

 

 

– শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।

– যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া।

– শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় problem সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন।

 

 

 

 

 

– হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন এবং চোঁখে ঘোলা দেখতে পারেন।

হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস :

– কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান।

 

 

 

 

যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।

 

 

 

 

 

– মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন।

 

 

 

– যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন।

 

 

 

– ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান।

 

 

 

 

– যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।

 

 

 

 

– কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে computer লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।

 

 

 

 

 

– যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন।

 

 

 

 

 

 

পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।

 

 

 

 

– হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়।

 

 

 

 

– যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।

 

 

 

 

– হস্তমৈথুনে চরমভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে study করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।

 

 

 

 

 

– সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।

 

 

 

 

– ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে।

 

 

 

 

– সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই avoid চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।

 

 

 

 

 

– ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।

 

 

 

 

 

– যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।

 

 

 

– বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।

 

 

 

 

– যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।

 

 

 

 

– বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি time কাটান।

 

 

 

 

 

– ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।

 

 

 

 

– নিজের পরিবারের কথা think করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।

 

 

 

 

 

– ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন

 

 

 

 

 

– অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা success হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

 

 

 

 

 

– উপুর হয়ে ঘুমাবেন না।

 

 

 

 

– বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না।

 

 

 

 

 

– গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না।