প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:   ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, বাজেটের আকার বড় হলেও সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এই বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

 

 

 

 

 

গত ৭ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের সাথে চলতি অর্থবছরের (২০১৭-১৮) সম্পূরক বাজেট পেশ করেন। আজ সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হয়।

 

 

 

 

 

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা আরো বলেন, সরকারের গত প্রায় ১০ বছরে বিশাল বিশাল বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বড় অংকের বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন করেছে। এবারো সমালোচনা সত্ত্বেও সরকার এ বিশাল বাজেট শতভাগ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে।

 

 

 

 

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফ বলেন, দারিদ্র বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, ভৌত অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্য বিশ্বে এক অভূতপূর্ব ঘটনা।

 

 

 

 

 

করের আওতা বাড়ানোর প্রস্তাব করে তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত শৃংখলার মধ্যে আনতে হবে। ঋণ খেলাপীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

 

জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, বাজেট বাস্তবায়ন করতে হলে সকল ক্ষেত্রে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ঋণ খেলাপীদের কাছ থেকে ব্যাংকের টাকা আদায়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, দেশকে মাদকমুক্ত করতে এবং জনস্বার্থে চলমান মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

 

 

 

জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, দেশের উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা মাফিক কাজ না করায় মাত্র ২ ঘণ্টা বৃষ্টি হলে ঢাকা শহর পানির নিচে তলিয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দিতে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যক্রম প্রয়োজন।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, আর্থিক খাতে লুটপাট ও নৈরাজ্য বন্ধ করতে না পারলে দেশ কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। এই খাতে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে হলে ঋণ খেলাপীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে।

 

 

 

 

 

সরকারি দলের সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ গত অর্থবছরে অনেক কম ছিল। আগামী বাজেটে এই খাতে আরো বেশি বরাদ্দ বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ খাতে গত অর্থবছরের বরাদ্দ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে এই খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।

 

 

 

 

 

জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করতে হবে এবং তদন্ত করে তাদের নাম প্রকাশ করতে হবে।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, সংসদে বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতির বিষয়ে তুলে ধরা হয়, এগুলোর ব্যাপারে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

 

 

 

 

 

সম্পূরক বাজেটের উপর আরো আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন সরকারি দলের সোহরাব উদ্দিন ও জাতীয় পার্টির সদস্য নুরুল ইসলাম ওমর।