প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আমদানি করা এলএনজি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ার‌মান আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ।

 

 

 

 

 

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর আজ সোমবার সকাল ১০টায় টিসিবি অডিটোরিয়ামে এ শুনানি নিচ্ছে বিইআরসি কর্তপক্ষ। সেখানে তিনি উপস্থিত সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টদদের একথা জানান।

 

 

 

 

 

শুনানিতে আরও উপস্থিত রয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, সদস্য আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান, রহমান মুর্শেদ ও মাহমুদ উল হক ভুঁইয়া।

 

 

 

 

 

এর আগে, গত ২৪ এপ্রিল দেশে পৌঁছেছে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহী জাহাজ, ‘এক্সিলেন্স’। জাহাজে এক লাখ ৩৬ হাজার ঘনমিটার তরল গ্যাস আছে।

 

 

 

 

গ্যাস সরবরাহের জন্য মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা পর্যন্ত ৩০ ইঞ্চি ব্যাসের ৯১ কিলোমিটার পাইপ করা হয়েছে। এখন আনোয়ারা থেকে সীতাকুণ্ড পর্যন্ত ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আরও ৩০ কিলোমিটার পাইপ নির্মাণের কাজ চলছে। সীতাকুণ্ড পর্যন্ত পাইপ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস শুধু চট্টগ্রামে দেয়া হবে।

 

 

 

 

 

গ্যাসের সঞ্চালন লাইন প্রতি ঘন মিটার ১৮ পয়সা বাড়ানো প্রস্তাব জিটিসিএল’র, তবে ১০ পয়সা বাড়ানো পক্ষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি কমিটি মূল্যায়ন দিয়েছে।

 

 

 

 

 

সার উৎপাদনে সর্বোচ্চ ৩৭২ শতাংশ ও বিদ্যুতে ২০৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। আমদানি করা উচ্চমূল্যের এলএনজি’র কারণে বেড়ে যাচ্ছে গ্যাসের দাম। তার প্রভাবেই এই দরপ্রস্তাব বলে জানা গেছে।

 

 

 

 

 

শুনানিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম, জিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (পিডিবি) বিভিন্ন কোম্পানির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।