প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    ঈদযাত্রায় ভোগান্তি থেকে বাঁচতে অনেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন। তবে সরকারি ছুটি শুরু না হওয়ায় টার্মিনালগুলোয় এখনো উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়নি।

 

 

 

 

এখন পর্যন্ত মহাসড়কে অতিরিক্ত যানজট না থাকলেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠিকই শুরু হয়েছে। ঈদের ছুটির আগেই অনেকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের।

 

 

 

 

কেউ কেউ ছুটি নিয়ে ধরছেন বাড়ির পথ। আনুষ্ঠানিক ছুটির আগেই তাই ঈদযাত্রার আমেজ শুরু হয়ে গেছে। এই সুযোগকে কেন্দ্র করে যাত্রাপথের ভাড়া বেশি আদায় করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

 

 

বাস, লঞ্চে দেখা গেছে এই চিত্র। তবে ট্রেনে সরাসরি এই সুযোগ না থাকায় কোথাও কোথাও কৌশলে কালোবাজারির মাধ্যমে তা করা হচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

রাস্তা মোটামুটি ফাঁকা ও যানবাহনের জন্য উপচে পড়া ভিড় না থাকায় যাত্রীরা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যেই বাড়ি যেতে পারছেন। তবে কাল বুধবার (১৩ জুন) থেকে সব পথেই যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

 

 

সড়কের ভোগান্তি এড়াতে অনেকে ট্রেন-লঞ্চের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। এ অবস্থায় গত রোববার ট্রেনে কিছুটা শিডিউল বিপর্যয় ঘটলেও গতকাল সোমবার তা ঘটেনি।

 

 

 

 

 

ট্রেনের ঈদ সার্ভিস শুরু হওয়ায় গত দুই দিন ভোর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় দেখা যায়। অগ্রিম টিকেট সংগ্রহের প্রকট ‘যুদ্ধে’র মতো ঈদযাত্রায় এখনো ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়নি যাত্রীদের।

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ‘এখনো অফিস বা শিল্প-কারখানা ছুটি হয়নি। ২৭ রোজা থেকেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হবে।’ তিনি বলেন, উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে আমরা ১৩ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা রেখেছি, যা ঈদের পরবর্তী সাতদিন পর্যন্ত রাখা হবে। আর ঈদ ১৭ তারিখ হলে ১৬ জুন স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা থাকবে। ওই দিনই দেওয়া হবে টিকেট। এ ছাড়া প্রতিটি ট্রেনেই দেওয়া হচ্ছে স্ট্যান্ডবাই টিকেট।

 

 

 

 

 

এদিকে গতকাল ঢাকা সদরঘাট থেকে চালু হয়েছে লঞ্চের বিশেষ ঈদ সার্ভিস। বিশেষ যাত্রার প্রথম দিনে সদরঘাটে যাত্রীদের অস্বাভাবিক ভিড় দেখা যায়নি।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দিন বলেন, ‘ঈদের ছুটি না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় হবে না।’

 

 

 

 

 

 

গতকাল থেকেই ঈদের বিশেষ যাত্রায় সদরঘাট থেকে দৈনিক ১৫০টি লঞ্চ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছেড়ে যাবে। অন্যদিকে সড়কপথে বাসের ঈদ সার্ভিস শুরু হবে ১৪ জুন থেকে।

 

 

 

 

 

গতকাল রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ দেখা যায়নি। বাস কাউন্টারের ম্যানেজাররা জানান, ২৭ রোজার পর থেকে বাসে যাত্রীদের চাপ সৃষ্টি হয়।

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ফারুক তালুকদার সোহেল বলেন, ‘ঈদের বিশেষ সার্ভিসের শুরু থেকেই যাত্রীদের চাপ সৃষ্টি হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বাস রেডি আছে।’

 

 

 

 

 

 

অগ্রিম টিকেট ছাড়াও টার্মিনালে এলে যাত্রীরা টিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানান তিনি।