প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:  কোনো একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে উভয় পক্ষের সমঝোতা প্রয়োজন। যদি মনে করেন আপনি একজন নিয়ন্ত্রণকারী স্ত্রী অর্থাৎ স্বামীর সব ব্যাপারেই কর্তৃত্ব করেন তাহলে পরিবারে অশান্তি বিরাজ করবে।

 

 

 

 

 

আপনি সত্যিই একজন নিয়ন্ত্রণকারী স্ত্রী কি না নিশ্চিত করার জন্য কয়েকটি লক্ষণ আছে যা দিয়ে অভ্যাসগুলো সংশোধন করতে পারেন…

 

 

 

সব কিছুতে আপনার অনুমতি আশা করেনআপনার স্বামী হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাবেন, কিন্তু তখনও আপনি মনে মনে আশা করেন তিনি অনুমতি নিয়ে নেবেন। অতি সামান্য কাজেও অনুমতি না নিলে আপনার রাগ হয়। তার মানে হচ্ছে, আপনি আপনার স্বামীকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন।

 

 

 

 

নিজের ভুল স্বীকার না করা
আপনি যদি মনে করেন আপনার কোনো ভুল হতে পারে না, তাহলে দুজনের কখনই সমঝোতা হবে না। দাম্পত্য জীবনে ভুল বুঝাবুঝি হলে সব সময় শুধু আপনার স্বামীই ‘দুঃখিত’ বলবেন এবং ক্ষমা চাইবেন, এমনটা আশা করা উচিত নয়। আর তিনি যদি ভুল না করে থাকেন, তাহলে তো সম্পর্কই নষ্ট হয়ে যাবে।

 

 

 

আড়ালে তার ফোন দেখা
আপনার স্বামীর ফোন যদি আড়ালে দেখতে থাকেন তাহলে তিনি কোনোভাবেই এটা ভালো চোখে দেখবেন না। তাকে না জানিয়ে ফোনের কোনো বার্তা আপনি পড়তেও পারেন না। কিংবা তার ফোন এলেও আপনার সেটা রিসিভ করা উচিত না।

 

 

 

 

খরচের সিদ্ধান্ত
আপনার বা স্বামীর যারই টাকা খরচ হোক না কেন আপনি যদি মনে করেন সব সিদ্ধান্ত আপনিই নেবেন তাহলেই সমস্যা। প্রতিটি পয়সা কিভাবে খরচ হবে সেই সিদ্ধান্ত আপনারই নেওয়ার অধিকার আছে এমনটা ভাবলেই বুঝতে হবে, আপনি তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন।

 

 

 

 

রিমোট আপনার হাতে
এটাও একধরনের কর্তৃত্ব করা। যখন দুজন একসঙ্গে টিভি দেখছেন আপনি কিছুতেই রিমোট হাতছাড়া করছেন না। তার পছন্দের কোনো অনুষ্ঠান দেখতে দিচ্ছেন না। যদি এই নিয়ে তর্ক বাঁধে, তখন তার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন যে তিনি আপনার অনুভূতির প্রতি সহনশীল নন।

 

 

 

 

 

 

কিছু দায়িত্ব তিনিই পালন করবেন
এমন কিছু দায়িত্ব আছে আপনি ধরেই নেন যে আপনার স্বামী সেগুলো পালন করবেন। যেমন, শপিংয়ে গেলে সব সময় আপনার স্বামীই ব্যাগ বহন করবেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে বাড়ির যাবতীয় বাজার-সদাই করে আনবেন।