প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ধর্ষণে অভিযুক্ত বাবার আশ্রম থেকে নিখোঁজ হয়েছে ৬শ’ তরুণী। ভারতের রাজস্থানের আলাওয়াজে দাতী মহারাজের আশ্রম থেকে আশ্রিতারা উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০০ জন রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

 

 

 

কয়েকদিন আগেই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে দিল্লির স্বঘোষিত ধর্মগুরু দাতী মহারাজের বিরুদ্ধে৷ ফতেপুর বৈরি এলাকার জনপ্রিয় শনিধাম মন্দিরের দাতী মহারাজের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন পঁচিশ বছর এক তরুণী৷

 

 

 

 

 

তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে আইপিসি ৩৫৪, ৩৭৬ এবং ৩৭৭ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ প্রায় ২ বছর আগে মন্দিরের মধ্যে তাকে ধর্ষণ করেছিল দাতী মহারাজ এমনই অভিযোগ তরুণীর৷

 

 

 

 

 

দাতী মহারাজ জানিয়েছিলেন যে তাঁর আশ্রমে ৭০০ জন রয়েছেন। বাকি মেয়েরা কোথায় গেল, তা জানতে তদন্ত করছে পুলিশ। তাদের কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, নাকি তারা ছুটিতে বাড়ি গিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। এদিকে, দাতী মহারাজ নিজেও পলাতক রয়েছে। তার খোঁজে চলছে তল্লাশি।

 

 

 

 

 

অভিযোগকারী জানিয়েছেন, শনিধাম মন্দিরের মধ্যে ওই তরুণীকে প্রায় দুবছর আগে ধর্ষণ করেছিল দাতী মহারাজ৷ নির্যাতিতার বাবা জানায়, সে সময় ওই তরুণী দাতী মহারাজের আশ্রমেই থাকত৷

 

 

 

 

 

তার আগে নিয়মিতভাবে ওই ধর্মগুরুর উপদেশ শুনতে তার আশ্রমে যেত নির্যাতিতা৷ এরপর দাতী মহারাজের সঙ্গে তার সরাসরি আলাপ-পরিচয় হয়৷

 

 

 

 

তরুণীর বক্তব্য অনুযায়ী, আশ্রমের মধ্যে বহুবার তাকে যৌন হেনস্তা করেছে দাতী মহারাজ৷ শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কারও কাছে মুখ না খোলারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাকে৷

 

 

 

 

 

 

এই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই নিরুদ্দেশ ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু৷ পুলিশ জানিয়েছে, দাতী মহারাজ ছাড়াও আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷