প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     কোটা সংস্কারের আন্দোলন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বশেষ মাঠে দেখা গেছে রোজার আগে। ওই সময় তাদের দাবি ছিল প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের আলোকে একটি প্রজ্ঞাপন। সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংশোধন।

 

 

 

 

তবে কোটা সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গড়িমসি দেখা যায় প্রশাসনে। এই নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। অবশেষে তীব্র সমালোচনার মুখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কোটা সংস্কারের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব হয়।

 

 

 

 

 

এরপরই শুরু হয় রোজা। কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের যেমন মাঠ ছেড়ে যায় তেমনি হিমঘরে পড়ে আছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কমিটি গঠনের প্রস্তাব। প্রধানমন্ত্রী রোজার আগে ও রোজায় বিদেশ সফরসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত ছিলেন। এই পুরোটা সময় কোটা সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিয়ে প্রশাসন ঝিমিয়ে থাকে।

 

 

 

 

 

 

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পরদিন থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা আবার সংগঠিত হতে শুরু করেছে। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সংগঠিত হচ্ছে।

 

 

 

 

 

যেকোনো সময় তাঁরা আবার সড়কে অবস্থান নিতে পারে। রাজধানী সহ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্ষোভ শুরু করতে পারে। আন্দোলনকারীরা যখন তৎপর তখন ভিন্ন চিত্র প্রশাসনে। রোজার মধ্যে ঝিমিয়ে থাকা প্রশাসন এখন ঘুমিয়ে আছে।

 

 

 

 

 

 

কোটা সংস্কারে কমিটি গঠনের প্রস্তাব নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গত এক মাসে দেখা যায়নি। প্রয়োজনীয় উদ্যোগের জন্য কোনো সিদ্ধান্তের কথাও জানা যাচ্ছে না।

 

 

 

 

 

নির্বাচনের এই বছরে প্রশাসনে এমন নিঃস্পৃহতার কারণে ভুক্তভোগী হতে হবে সরকারকেই। নতুন করে কোটা সংস্কার আন্দোলন দেখা দিয়ে তা কোনো বিরতি ছাড়াই যে চলতে থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখবে না।

 

 

 

 

 

 

এখন প্রশ্ন হলো প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের পরও প্রশাসন কেন সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির দিকেই ঠেলে দিতে চাইছে? এর মধ্যে কি অন্য কোনো বিষয় আছে?