প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দলীয় কার্যালয় ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো থেকে তাঁকে জামিন নিতে বলা হয়েছে।

 

 

 

 

একই সঙ্গে তাঁকে দলীয় কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোতে উপস্থিত থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ রিজভীকে এই বার্তা পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দলের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়াকে রিজভীর মামলাগুলো দেখভাল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

সূত্রমতে, দলের শৃঙ্খলার স্বার্থে দলীয় কার্যালয়ে রিজভীর রাত্রিযাপন বন্ধের ব্যাপারে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা গতরাতে ঐক্যমতে পৌঁছেন। বিএনপি মহাসচিবকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াও এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

সূত্রমতে, বিএনপির হাইকমান্ড মনে করছে, দীর্ঘদিন রিজভীর দলীয় কার্যালয়ে থাকা দলের নেতাকর্মীদের ভুলবার্তা দিচ্ছে। এতে অন্যরা রাজপথে আন্দোলনে ভয় পাচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

তাছাড়া সামনে আন্দোলনে এ ব্যাপারে ‘স্বেচ্ছা বন্দীত্ব’ দলের ক্ষতি করবে বলে সিনিয়র নেতারা মনে করছেন। এখন দলের স্থায়ী কমিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক গুলো হচ্ছে গুলশানে,

 

 

 

 

 

 

দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে। অথচ এই সব বৈঠকের মিটিং মিনিটস এবং প্রেস রিলিজ লেখার কেউ থাকছে না। দলীয় সূত্রমতে, এটাই রিজভীর মূল কাজ।

 

 

 

 

 

 

অবশ্য এইসব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রিজভীর কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে রিজভী দলীয় কার্যালয়েই অবস্থান করছেন। পুলিশের উপর হামলা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।