প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০১৮-১৯ সালের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধা

 

 

 

 

 

অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটকে আওয়ামী লীগের আদর্শের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলের এক সংসদ সদস্য। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে এদিন বাজেট আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, পার্বত্য চট্টগ্রাম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊ শৈ সিং, উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর-উত্তম, শামসুল হক টুকু, একেএমএ আউয়াল সাইদুর রহমান ও মো. আলতাফ আলী এবং বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ ও বেগম খোরশেদ আরা হক।

 

 

 

 

 

 

 

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘টানা ১০ বারের বাজেট দেওয়ার বিরল সম্মান পৃথিবীর খুব কম অর্থমন্ত্রীরই রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির বিস্ময়কর সাফল্যে সারা বিশ্বের নেতারা স্বীকার করছেন, উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে বাংলাদেশ।’

 

 

 

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘শত ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে অনেকে আপত্তি জানাচ্ছেন। দেশের ক্ষতি করার জন্যই এটা করছে, এরা আসলে জ্ঞানপাপী।’

 

 

 

 

 

 

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উত্থাপন করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রিয়জনরাই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।

 

 

 

 

 

১১ বছর মামলা চলার পর রায়ে দণ্ডিত হয়ে সাজা ভোগ করছেন। এখানে সরকারের তো করার কিছু নেই। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়েও নানা বিভ্রান্ত ছড়ানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের পথে চলে, অন্য কোনো বাঁকা পথে ক্ষমতায় আসেনি, আসার চিন্তাও নেই।’

 

 

 

 

 

এদিকে প্রস্তাবিত বাজেটকে ভেজালমিশ্রিত দাবি করে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেট আওয়ামী লীগের আদর্শেরও পরিপন্থি। প্রশাসনে এখন আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না।’

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘আমরা পাকিস্তান আমলে ২২ ধনী পরিবারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। এখন ১২২ পরিবার সৃষ্টি হয়েছে। যাদের হাতে দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ। এই বৈষম্য কে বিলোপ করবে? বাজেটে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। বরং বৈষম্য বাড়াতে বাজেটে ধনী শ্রেণির স্বার্থরক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘যারা ব্যাংক ডাকাতি করে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে, তাদেরই প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।’ সাবেক বিমানমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, ‘বিএনপি এখন বিদেশে গিয়ে ধরনা দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।’

 

 

 

 

সাবেক প্রধান হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ বলেন, ‘এ সরকারের লক্ষ্য উন্নয়ন। ফলে নির্বাচনীমুখী বাজেটের সমালোচনার কোনো সুযোগ নেই।’

 

 

 

 

 

রণ আলোচনায় অংশ নিয়ে মঙ্গলবার (১৯ জুন) তারা এ কথা বলেন।