প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     বিশ্বকাপে কি এর আগে কখনো মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স? সেটা মনে না পড়ারই কথা, এর আগে সেই ১৯৭৮ সালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল।

 

 

 

 

তার আগে একমাত্র দেখা ১৯৩০ বিশ্বকাপে। দুবারই জয়ী দলের নাম? আর্জেন্টিনা। ১৯৩০ সালে উঠেছিল ফাইনালে, আর ১৯৭৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল প্রথম বার। তবে ইতিহাস যতই আর্জেন্টিনাকে আশা দেখাক, এই ম্যাচে ফ্রান্সই কাগজে কলমে এগিয়ে থাকবে।

 

 

 

 

 

 

আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ম্যাচ দিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচ। রাত আটটার এই ম্যাচে বিশ্বকাপ যাত্রা থেমে যাবে যে কোনো এক দলের। আর্জেন্টিনা অনেকটা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই দ্বিতীয় পর্বে উঠেছে।

 

 

 

 

 

আইসল্যাণন্ডের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ড্র আর ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল দেয়ালে। শেষ পর্যন্ত নাইজেরিয়াকে হারিয়ে কোনোমতে পেয়েছে শেষ ষোলোর টিকেট।

 

 

 

 

 

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ও পেরুর সঙ্গে প্রথম দুই ম্যাচে জয় দিয়েই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। আর ডেনমার্কের সঙ্গে শেষ ম্যাচটা করেছে ড্র।

 

 

 

 

যদিও জিতলে ফ্রান্স মন ভরাতে পারেনি খুব একটা। কাগজে কলমে এই ফ্রান্স টুর্নামেন্টের সেরা দল হওয়ার দাবিদার। গোলপোস্টের নিচে লরিস, রক্ষনে ভারানে, উমতিতি; ওদিকে মধ্যমাঠে পগবা, কান্তেরা।

 

 

 

আর আক্রমনে গ্রিজমান, এমবাপে, দেম্বেলে, জিরুররা তো আছেনই। কিন্তু মাঠে এই দল তাদের সামর্থ্য অনূদিত করতে পেরেছে কমই। অস্ট্রেলিয়া ও পেরুর সঙ্গে পেয়েছে কষ্টার্জিত জয়।

 

 

 

 

 

ডেনমার্কের সঙ্গে তো জেতার চেষ্টাও করেনি সেভাবে। দিদিয়ের দেশম এখনো নিজের সেরা একাদশ খুঁজে পাননি। তিন ম্যাচেই অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন। আজ আর্জেন্টিনার সঙ্গে কেমন একাদশ নামান সেটাই প্রশ্ন।

 

 

 

 

 

এদিক দিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ হোর্হে সাম্পাওলির দুশ্চিন্তা আরও বেশি হওয়ার কথা। প্রথম দুই ম্যাচ হারের পরেই আর্জেন্টিনা কোচের কৌশল নিয়ে উঠেছে অনেক প্রশ্ন।

 

 

 

 

বিশেষ করে ক্রোয়েশয়ার সঙ্গে তিন জন রক্ষণে খেলায় বিস্তর সমালোচনা হয়েছে। গুঞ্জন উঠেছে, শেষ ম্যাচে মেসি-মাসচেরানো মিলেই একাদশ সাজিয়েছেন। সাম্পাওলি অবশ্য সেটা অস্বীকার করে বলেছেন, এমন কিছুই হয়নি।

 

 

 

 

 

তবে যাই হোক, আপাতত আর্জেন্টিনা নিজেদের সেরা একাদশটা পেয়ে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। এভার বানেগা দেখিয়েছেন, তিনি এই দলের সেরা মিডফিল্ডার। রক্ষণনিয়ে অবশ্য দুশ্চিন্তা থাকবে আরও।

 

 

 

 

 

শোনা যাচ্ছে, গঞ্জালো হিগুয়াইনের জায়গায় দলে আসতে পারেন ক্রিশ্চিয়ান পাভন। সেক্ষেত্রে মেসি চলে যেতে পারেন ফলস নাইনে।

 

 

 

 

 

সম্ভাব্য একাদশ

আর্জেন্টিনা: আর্মানি, মের্কাদো, অটামেন্ডি, রোহো, টালিয়াফিকো, মাসচেরানো, বানেগা, পেরেজ, পাভন, মেসি, ডি মারিয়া

ফ্রান্স: লরিস, পাভার্দ, ভারান, উমতিতি, হার্নান্দেজ, কান্তে, পগবা, মাতুইদি, গ্রিযমান, এমবাপ্পে, জিরু