প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬’ প্রদান করেছেন।

 

 

 

এবছর আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন গুণী অভিনয়শিল্পী ফরিদা আক্তার (ববিতা) ও আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)।

 

 

 

 

পদকপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে ববিতা বলেন, ‘এই আনন্দের সন্ধ্যায় মনে পড়ছে, আমার সন্তান অনিক যে সুদূর কানাডায় পড়ালেখা করছে। আমার বাবা-মা, আমার মেন্টর শহীদ জহির রায়হান, বিশ্ব বরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়, সুভাষ দত্তসহ অসংখ্য আপন মানুষ।’

 

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘গভীর শ্রদ্ধায় মনে পড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি স্বাধীনতার প্রথম প্রহরে পরম পিতৃস্নেহে আমার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, তুই একদিন অনেক বড় হবি। অতঃপর লাল-সবুজ পতাকা নিয়ে ঘুরেছি সারা বিশ্ব। অনুভব করেছি, বিশ্ব অঙ্গনে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ যেন একই মালায় গাঁথা।’

 

 

 

 

‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার- ২০১৬’অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রহমত উল্লাহসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষেরা।

 

 

 

 

ববিতার সিনেমায় ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিলো জহির রায়হানের হাত ধরে। এ কথা উল্লেখ করে ববিতা বলেন, ‘স্বর্ণালী কৈশোরে জহির রায়হানের হাত ধরে আমার সিনেমায় পা রাখা। আমার পদকপ্রাপ্তি উৎসর্গ করলাম আমার সকল ভক্তদের।’

 

 

 

 

 

বক্তৃতায় এক পর্যায়ে নায়করাজ রাজ্জাককে স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘নায়করাজ রাজ্জাক আজ আমাদের মাঝে নেই। আমি রাজ্জাক ফিল্ম ইন্সটিটিউ কিংবা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ তার নামে নামকরণ করার জন্য আবেদন করছি।’

 

 

 

 

 

ববিতা আরও বলেন, ‘শিল্পীদের জন্য স্বল্পমূল্যে বাসস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি।’এসময় বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ববিতা।

 

 

 

 

 

 

নায়ক ফারুক প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, ‘ফারুক ভাইয়ের সঙ্গে অনেক ছবিতে অভিনয় করেছি। সেই স্মৃতি ভুলতে পারি না। ফারুক ভাই অনেক বড় মাপের শিল্পী।’