প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমান যুগে লেনদেনের অন্যতম প্রধানমাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগদ অর্থের পরিবহণ এবং লেনদেনের ঝুঁকি কমিয়ে এই ধরণের মুদ্রা আমাদের সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থায় এক আমুল পরিবর্তন এনেছে।

 

 

 

 

কিন্তু, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজ মনে করেন, ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেনে কেন্দ্রীয় কতৃপক্ষের অনুপস্থিতি এবং স্বচ্ছতা না থাকায় এমন মুদ্রাব্যবস্থা অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে সক্ষম।

 

 

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক মনে করেন, এই ধরণের ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচাতে খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারগুলো বিটকয়েনের মতো ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর লেনদেনের পদ্ধতির ওপর হস্তক্ষেপ করবে। সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল নিউজ সংবাদপত্রকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ৭৫ বছর বয়সী স্টিগলিৎজ এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

 

স্টিগলিৎজ বলেন, অপরাধীরা বিটকয়েনের মতো ডিজিটাল কারেন্সিকে তাদের অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত করতে পারে। বিশেষত, বিটকয়েন ব্যবহারকারির তথ্য বেশিরভাগ সময়ই কতৃপক্ষের আওতার বাহিরে থাকে।

 

 

 

 

এসময় তিনি বলেন, “ আপনি যদি একটি যথাযথ অর্থনৈতিক লেনদেন ব্যবস্থা তৈরি করতে চান তবে প্রথমেই আপনাকে একটি স্বচ্ছ ব্যাংকিং ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, কিন্তু বিটকয়েনের মতো ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সির কোন কেন্দ্রীয় কতৃপক্ষ নেই।

 

 

 

 

কোন দেশের সরকারই দীর্ঘদিন এমন অচলাবস্থা মেনে নেবেন না। অচিরেই তারা ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ঘোষণা করবেন।”

এসময় তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার খুবই ছোট। তবে ভবিষ্যতে এদের বাজার যখন বড় হবে তখন কতৃপক্ষ নিশ্চুপ থাকবেন না। ইতোমধ্যেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন এসব মুদ্রার নিয়ন্ত্রনে পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

 

 

 

 

 

 

এবং অচিরেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের সরকারও এমন পদক্ষেপ নেবেন। ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর ওপর একটি বড় ধরণের আঘাত নেমে আসবে। সিএনবিসি