প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে চম্পট দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান।

 

 

 

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান সোহাগ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, খলিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্ত খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ছেলের সন্ধান পেলে মীমাংসা করে দেয়া হবে।

 

 

 

 

স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি ঢাকায় চলে যান।

 

 

 

 

 

এদিকে ৪-৫ দিন আগে ওই মেয়ে বাবার বাড়ি বেড়াতে যান। সোমবার পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক ও কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. খলিলুর রহমান তাকে নিয়ে চম্পট দেয়। বুধবার মেয়েটির দাদা পাথরঘাটা থানায় বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করেন।

 

 

 

 

পাথরঘাটা থানার ওসি মোল্লা মো.খবীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, থানায় মামলা দেয়া হলে সে অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

 

 

 

মেয়েটির দাদা জানান, ওই ছেলে সুমিকে উত্ত্যক্ত করার কারণে চট্টগ্রামে নিয়ে কলেজে ভর্তি করা হয়েছিল।

 

 

 

 

স্বজন, এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরদুয়ানী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের একটি কলেজের অনার্সের ছাত্রীর সঙ্গে গত ১৭ জুন মঠবাড়িয়া উপজেলার মাঝরপোল গ্রামের শাহাদৎ হোসেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর বাড়িতে যান।

 

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক খলিলুর রহমানের মোবাইল ফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।