প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ফয়সল আহমেদ খান, ঢাকা প্রেসক্লাব থেকে ফিরে এসে : দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান দুদু বলেছেন, আন্দোলন কখনও বলে কয়ে হয় না।

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তি দিয়ে দিয়েছিলো পাক-সরকার।আমরাও সে পথে হাটবো। আপনারা প্রস্তুত থাকুন, আন্দোলন হবে। অচিরেই আন্দোলন হবে। আর সে আন্দোলনে এই সরকারের পতন হবেই।’’

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, এরশাদ নিজেও ভাবে নাই তার পতন হবে। কিন্তু সেও অবশেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলো। এ সরকারও সুষ্ঠ নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে। শুধু সময়ের ব্যাপার।

 

 

 

 

আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সুজন স্থৃতি পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাবেক এমপি ও তুখোড় ছাত্রদল নেতা মরহুম শাহজকাহান হাওলাদার সুজনের ১৭তম মৃর্ত্যূ বার্ষিকীর দোয়া ও স্থরন সভা উপলক্ষ্যে তিনি (দুদু) এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

মরহুম সুজনের এককালের রাজনৈতিক সহকর্মী ও অনুষ্ঠানের বিশেষ বক্তা ডাকসুর সাবেক জিএস ,বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবীর খোকন বলেন, আওয়ামীলীগের উদ্দেশ্য হলো আবারও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর মতো নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা।

 

 

 

 

আর তার জন্যই আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বাইরে রাখতে অন্যায়ভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে সরকার। কোনও প্রহসনের নির্বাচন আর এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না এবং হতেও দেবে না।

 

 

 

 

আগামী নিবার্চন সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক করতে বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে হবে। তাঁকে ছাড়া এ দেশে আর কোনও নির্বাচন হবে না।

 

 

 

 

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব সুজনের অপমৃর্ত্যূ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শহীদ সুজন পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে দু দফা নির্বাচিত এমপি হয়ে জনগনের জন্য কথা বলেছেন।তার বিচার বাংলার মাটিতে হবেই।’

 

 

 

 

 

নির্বাচন নিয়ে সরকার বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে মন্তব্য করে বলেন, ‘আপনারা সরকারের সেই সমস্ত বাজে গুজবে কান দেবেন না। কারণ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই আমরা আগামী নির্বাচনে যাবো। এদেশে সুষ্ঠু নিবাচন হবে এবং স্বৈরাচার সরকারের পতনও ঘটবে।

 

 

 

 

 

সুজন-স্থৃতি পরিষদের সভাপতি বিএনপি নেতা কৃষিবিদি মেহেদী হাসান পলাশের এর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে আগত বিএনপি,ছাত্রদল,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দলের হারেছ চৌধুরী,স্বপন শিকদার, হারুনুর রশীদ,রাজিব আহমেদ,নাজির হোসেন,ছালে মুছা,আওলাদ হোসেন,আবু কালাম,হবি ্রপ্রমূখ।