প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     নিনিত হুমায়ূন সাহেব ইদানীং আমাকে খুবই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন… তেনাকে পড়াতে গেলে বলেন- ‘মা মিস যেভাবে শিখায় তুমি সেভাবে পারবা না…’ (উনার হয়তো ধারনা তার মাতা ইহজীবনে স্কুলমুখী হয় নাই)…

 

 

 

 

নিনিত সাহেব পিয়ানো শেখেন। বাসায় অনুশীলনের সময় একখান কথা বললেই বলেন- ‘মা স্যার বলেছে ইরাকম করে বাজাতে…’

 

 

 

ঘ্যাংগা বাবাজির স্কুল প্রোগ্রামে তিনি একখান দলীয় নৃত্যে অংশগ্রহণ করিলেন। আমি দেখলাম এই সুযোগ, তেনাকে বাসায় অনুশীলন করায়ে ভাজা ভাজা করে ফেলব…

 

 

 

 

 

উনার স্কুলের নাচের শিক্ষক আমার নৃত্যগুরু শুক্লা সরকার- নিনিতের ‘শুক্লা মিস’। যে নাচখানা দলের সাথে পুত্র পরিবেশন করবেন, সেই একই গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করিয়া শিশুকালে আমি পুরষ্কার পেয়েছিলাম… বাবাজিকে নৃত্য অনুশীলন করাবার চেষ্টা করিতে গিয়া এই কথা বলা হইলে তিনি পাত্তাই দিলেন না…

 

 

 

 

অবশেষে কনিষ্ঠ পুত্রের কাছে ইজ্জত রক্ষা হইল… ২০১৬ সালে সঙ্গীতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার আনতে গেলাম তাহাদের দুইজনকে নিয়ে।

 

 

 

 

নিনিত: মা আমরা কি বাবার পুরষ্কার নিতে এসেছি…?

 

 

 

 

নিষাদ: উফফফ নিনিত- আমরা মা’র পুরষ্কার নিতে আসছি। দেখো না বইয়ে মা’র ছবির নিচে লেখা ‘শ্রেষ্ঠ সংগীত শিল্পী- মেহের আফরোজ শাওন’…!

 

 

 

 

 

 

নিনিত: (অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে চাইলেন) মা! যাক তুমিও তাইলে বাবার মত এ্যাওয়ার্ড পাইলা..!

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)