প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     ইরান দলের সমর্থক বলেই সুন্দরী তরুণীরা যে ইরানি নাগরিক হবেন তা নয়। এবারের বিশ্বকাপে গালে ইরানের পতাকা আঁকা স্বল্পবসনা এক লেবানিজ তরুণীর ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে তাকে ‘ইরানি সুন্দরী’ বলায় চটেছেন সেই সমর্থক।

 

 

 

 

মাথায় হিজাব না থাকা ও স্বল্পবসনা তরুণীদের পশ্চিমা গণমাধ্যমে ইরানি হিসেবে তুলে ধরায় বিব্রত বোধ করেছে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির সরকারও, জানিয়েছে প্রেসটিভি।

 

 

 

 

 

ইরানের পতাকায় টপস বানিয়ে পরা এক তরুণীর ছবি প্রকাশের জেরে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রী ও নারী রাজনীতিক মাসুমেহ এবতেকার বলেছেন, ইরানি পতাকার এমব্লেমটি হচ্ছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র ক্যালিগ্রাফি। এটা একেশ্বরবাদীদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি। ইরানিরা এটা ভালো করে জানে। তাই তারা এমন কাজ করতে পারেন না।

 

 

 

 

এদিকে টিভি স্ক্রিনে সুন্দরী দর্শকদের দেখে, তাদের অবস্থান শনাক্ত করে, যৌন হয়রানি করার ঘটনাও ঘটে থাকে অহরহ। তাই এখন থেকে বিশ্বকাপ দেখতে আসা ‘হট ফিমেল ফ্যানদের’ টিভি ক্যামেরায় দেখাতে বারণ করে দিয়েছে ফিফা।

 

 

 

 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, নারীদের সম্মান রক্ষার্থে ও বিশ্বকাপের সম্মান-মর্যাদা সমুন্নত আরও আগেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার উচিৎ ছিল বলে মনে করেন ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তা ফেডরিকো আদিয়েচি। তবে এ ব্যাপারে আগে কোন পদক্ষেপ না নিলেও, অন্যান্য অসামঞ্জস্য সবকিছুর ব্যাপারে তৎপর রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

 

 

 

 

 

হালনাগাদ ছবির জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘গেটি ইমেজেস’ বিশ্বকাপের সুন্দরী নারীদের নিয়ে একটি আলাদা বিভাগই খুলে বসেছিল। যেখানে বসেছিল বিশ্বের নানান দেশের নানান সুন্দরী সমর্থকদের ছবির বাহার। ফিফার নিষেধাজ্ঞা আসার পর তারাও নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং ওয়েবসাইট থেকে সেই বিভাগটি মুছে দিয়েছে।

 

 

 

 

 

তবে ফিফার এই নিষেধাজ্ঞা কেবল চুক্তিবদ্ধ ব্রডকাস্টারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আদিয়েচি বলেন, আমরা শুধুমাত্র বাছাইকৃত ব্রডকাস্টারদের বলেছি এমনটা আর করতে না।

 

 

 

 

 

 

আমাদের চুক্তিবদ্ধ ব্রডকাস্টার যারা ছিল, তাদের এই ব্যাপারে সতর্ক করেছি। অন্যদের ক্ষেত্রে আমাদের এখতিয়ার নেই।