প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    কাউনিয়ায় তীব্র গরম আর দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে বাতাসের আর্দ্রতা। আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে ঘরে ঘরে সর্দি কাশি ও ভাইরাস জনিত জ্বরে শিশুসহ সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে।

 

 

 

 

 

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে রংপুরাঞ্চলে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। সূত্র জানায়, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বুধবার সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

 

 

 

 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী জানান, গত বুধবার শূন্য দশমিক শূন্য ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বর্ষা মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় বৃষ্টি না হওয়ায় এত গরম পড়েছে।

 

 

 

 

প্রচন্ড গরম ও তাপদাহে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ। প্রচন্ড গরমের তারা কাজে যেতে পারছে না। এদিকে প্রচন্ড গরমে শিশুসহ সব বয়সের মানুষ সর্দি কাশি ও ভাইরাস জনিত জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

 

 

 

জানা গেছে, গত শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যান্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও হারাগাছ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় তিন শতাধিক সর্র্দি কাশি ও ভাইরাস জনিত জ্বরে আক্রান্ত রোগী ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে ও বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেয়।

 

 

 

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসিফ ফেরদৌস জানান, বর্ষা মৌসুমে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে প্রচন্ড গরম আর তাপদাহের কারণে শিশুসহ সব বয়সের মানুষ ভাইরাস জনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

 

 

 

 

 

 

প্রচন্ত রোদে বাইরে বের না হওয়া ভালো। তিনি বলেন, আক্রান্ত রোগীকে বাড়িতে না রেখে জরুরি ভিত্তিতে হাসতাপালে ভর্তি করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।