প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      ভালবেসে সুখের পৃথিবী গড়তে চেয়েছিল রোকসানা।চলছিলও বেশ ভালই।কিন্তুু যৌতুক লোভী স্বামীর কারনে আর সুখ জুটল না কপালে।একদিন,দুইদিন পরেই চাপ সৃষ্টি করে বলে বাপের গিয়ে টাকা আন, ব্যবসা করব,এ করব,সে করব।

 

 

 

 

 

কয়েকবার টাকাও আনলাম কিন্তুু মন ভরাতে পারলাম না যৌতুক লোভী স্বামীর।তাইতো অবশেষে ভালবাসার স্বামী মতিয়ার রহমানের পুরস্কার হিসেবে সিগারেটের আগুন আর শরীরে ক্ষতের আঘাত নিয়ে হাসপাতালে।

 

 

 

 

অশ্রুসিক্ত নয়নে অঝরে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের স্বীকার মোছাঃ রোকসানা খাতুন (১৯)। রোকসানা কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়ের ঘোষপুর গ্রামের মোঃ রইচ উদ্দিন প্রামানিকের মেয়ে এবং যৌতুক লোভী ঘাতক স্বামী একই ইউনিয়নের উত্তর সাদীপুর গ্রামের মোঃ শহিদুল্লাহ প্রামানিকের ছেলে।

 

 

 

 

 

হাসপাতাল ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়,গত ৮/৭/১৮ তারিখে মতিয়ার স্ত্রী রোকসানা কে যৌতুকের টাকা আনার জন্য চাপ দেয়। রোকসানা টাকা আনতে বাপের বাড়ি না গেলে যৌতুক লোভী স্বামী রোকসানকে শারীরিক নির্যাতন করে ও সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরিরের বিভিন্ন জায়গা ক্ষত করে।

 

 

 

 

 

 

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রোকসানার চাচা আব্দুল মালেক মুঠোফোনে বলেন,ভালবেসে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেছিল তারা। কিন্তুু যৌতুক লোভী স্বামী মতিয়ার প্রায়ই নির্যাতন করে।

 

 

 

 

 

 

একটা ছেলে সন্তান হওয়ার পর নির্যাতনের পরিমান বেড়ে যায়।তিনি বলেন বর্তমানে রোকসানা নির্যাতনের স্বীকার হয়ে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।তিনি আরো বলেন,এবিষয়ে কোর্টে নারী নির্যাতনের মামলা প্রক্রিয়াধীন আছেন।