প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে বলা হয়েছে। রায়ে এ সুবিধা মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের পাওয়ার কথা উল্লেখ নেই।

 

 

 

 

 

সংসদে ১২ জুলাই বাজেট অধিবেশের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, উচ্চ আদালতে রায় অমান্য করে সরকারি চাকরিতে সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল বা সংস্কারের কোন সুযোগ নেই।

 

 

 

 

 

আপিল বিভাগের ওই আদেশে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা কোটা থেকে তা পূরণ করার সুযোগ দেয়া হলেও ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা আছে। এবং সেখানে ষ্পষ্ট করেই বলা হয়েছে এই কোটা সংরক্ষিত থাকবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য।

 

 

 

 

 

আদালতের রায়ের ভিত্তিতে সংরক্ষিত এই কোটা সুবিধার আওতায় মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরাও পাবেন কি না তার ব্যাখ্যা নেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে।

 

 

 

 

 

 

এদিকে কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের এই কমিটি করে সরকার। কমিটিকে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করে তা সংস্কার বা বাতিলের যৌক্তিকতাসহ সরকারের কাছে আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়েছে।