প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        আবেদন করার তিন চার বছর পরও জাতীয় পরিচয়পত্র না পাওয়ায় নানা ভোগান্তিতে প্রায় ১ কোটি মানুষ। অন্যদিকে, ২০১৭ সালে ৯ কোটি নাগরিককে স্মার্ট কার্ড দেয়ার কথা থাকলেও শতকরা ১০ জনকেও কার্ড হস্তান্তর করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।

 

 

 

 

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগের মহাপরিচালক বলছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্মার্ট কার্ড তৈরি করায় ৯৩ লাখ কার্ড বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে আবার কার্ড তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

 

 

 

 

 

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, জমি রেজিস্ট্রি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, পাসপোর্ট করাসসহ নানা জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয় পত্র দিতে না পারায় সমস্যায় পড়েছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ।

 

 

 

 

 

অথচ তিন চার বছর আগে আবেদন করেও প্রায় ১ কোটি নাগরিক এখনও জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি।এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রে নজিরবিহীন ভুল এবং তা সংশোধন করতে গিয়েও সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে, বড় ধরনের অনিয়ম দেখা দিয়েছে স্মার্ট কার্ড প্রকল্প নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজি বিডি ২০১৭ সালে ৯ কোটি স্মার্ট কার্ড সরবরাহের কথা। নির্ধারিত সময়ে তারা কাজ শেষ করতে পারেনি।

 

 

 

 

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগের মহাপরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, যে কোম্পানির কাছে এই কার্ড তৈরি করতে দেয়া হয়েছিল, তারা সেখানে উন্নত মানের সেবা ব্যবহার করেনি। আমাদের বিভাগ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানতে পারে- ওই কার্ড মান সম্মত হয়নি। কোম্পানি তাদের নির্দিষ্ট শর্ত থেকে সরে গেছে। তারা স্ট্যান্ডার্ড মানের কার্ড তৈরি করেনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

 

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ওই ৯৩ লাখ কার্ড নতুন করে ছাপানোসহ বাকি কার্ড ছাপানোর কাজ দ্রুত গতিতে চলছে, জাতীয় নির্বাচনের আগেই তা শেষ হবে।

 

 

 

 

 

তবে কাজ শেষ হলেও লোকবল সংকটের কারণে ৯ কোটি নাগরিকের কাছে স্মার্ট কার্ড পৌঁছাতে একটু সময় লাগবে বলে জানান এই মহাপরিচালক।