প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে অসুস্থ থাকায় তাকে মঙ্গলবারও আদালতে হাজির না করায় চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় যুক্তি উপস্থাপন ফের পিছিয়ে আগামী ৩১ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।

 

 

 

 

 

মঙ্গলবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ তারিখ ঠিক করেন। একই সঙ্গে একইদিন পর্যন্ত সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর জামিনের মেয়াদও বৃদ্ধি করেছেন আদালত।

 

 

 

 

 

এর আগে এদিনও কারাকর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হওয়ার মতো শারীরিকভাবে সুস্থ নন মর্মে আদালতে একটি প্রতিবেদন পাঠায়।
অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা তার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে শুনানি করেন।

 

 

 

 

 

 

এদিন বেলা ১১টার দিকে বিচারক এজলাসে উঠলে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে পরবর্তী সপ্তাহে শুনানির তারিখ ধার্যের আবেদন করেন।

 

 

 

 

 

শুনানি শেষে আদালত আগামী ৩১ জুলাই খালেদার জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে একইদিন পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন।

 

 

 

 

 

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন একই আদালত। এর পর থেকে তিনি নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

 

 

 

 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে।

 

 

 

 

 

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

 

 

 

 

 

 

মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।