প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, অামাদের পাঁচ বছর সময় শেষ। এ টার্মে এটাই শেষ দেখা। জনগণ অাবার ভোট দিলে অাসব, না দিলে অাসব না। তবে অাপনাদের প্রতি অামার একটা অনুরোধ, দেশে যে উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে তা যেন অব্যাহত থাকে। উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা যেন যথাযতভাবে কাজে লাগে, সে দিকে নজর দেবেন।

 

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার রাতে (২৬ জুলাই) বঙ্গবন্ধু অান্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অায়োজিত বার্ষিক নৈশভোজে অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অাপনাদের চাকরি পার্মানেন্ট অার অামাদের চাকরি পাঁচ বছরের জন্য। পাঁচ বছর পরপর অামাদের জবাবদিহি করতে হয়। ডিসেম্বরে নির্বাচন অাবার যদি অাসতে পারি ভালো, না এলেও কোনো অাফসোস নেই।

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, অামাদের লক্ষ্য এ দেশের মানুষের উন্নত জীবন। তারা যেন ভালো থাকে, এটাই অামারা চাই। গ্রামকে অামরা শহর বানাতে চাই। গ্রামে বসে একটা মানুষ যেন শহরের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে, অামরা সে ব্যবস্থা করছি।

 

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অামরা খাদ্য সমস্যার সমাধান করেছি। এখন পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাজ করছি। দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও কাজ করছি। গৃহ সমস্যার সমাধানও করছি। দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। একটি মানুষ না খেয়ে থাকবে না,’- বলেন শেখ হাসিনা।

 

 

 

 

 

প্রতিটি জেলা-উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অাবাসিক সমস্যা সমাধানে মাল্টিস্টোরেজ বিল্ডিংয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সারাদিন কাজ করে সরকারি কর্মচারীরা যেন বাসায় গিয়ে একটু শান্তিতে থাকতে পারে সেজন্যই এ পরিকল্পনা করছি।

 

 

 

 

 

 

 

অাগে তো মানুষ সরকারি চাকরিতে অাসতে চাইতো না। এখন ১২৩ ভাগ বেতন বৃদ্ধি করেছি। পৃথিবীর কোনো দেশে একসঙ্গে এত টাকা বেতন বাড়ানোর নজির নেই। সরকারি কর্মচারীরা এখন খুশি।