প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয়ের মুখ দেখেছে নৌকা। সিটিতে ১০৭ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৮০১ ভোট। অপর দিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন মাত্র ১৩ হাজার ৪৯ ভোট।

 

 

 

 

 

আজ সোমবার সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। ভোট চলাকালে অনিয়মের অভিযোগে ১৫ নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। সিটিতে মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১২৩।

 

 

 

 

 

এর আগে নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। তারপরও জনগণ যে রায় দেবে তা মেনে নেব।’

 

 

 

 

 

 

তবে নির্বাচনে মেয়র পদে সাত প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। ভোট স্থগিতের দাবি জানান আরও তিনজন।

 

 

 

 

 

অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগ ঠিক নয় জানিয়ে সাদিক বলেন, ‘বরিশাল সিটিতে শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। সবাই উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মধ্যদিয়েই ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন।’

 

 

 

 

 

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার ধানের শীষ, আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নৌকা, সিপিবির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ কাস্তে, বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্ত্তী মই, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা ওবাইদুর রহমান মাহাবুব হাতপাখা, শরিক জাতীয় পার্টির নেতা মো. ইকবাল হোসেন লাঙ্গল এবং জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী বশীর আহমেদ ঝুনু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন।

 

 

 

 

 

 

এদিকে রাজশাহী সিটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

 

 

 

 

 

 

১৩৮ কেন্দ্রের বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলে খায়রুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৯৪ ভোট। অপর দিকে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৯২ ভোট।