প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো সারাদেশে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ আছে। নতুন করে অভ্যন্তরীণ রুটেও বন্ধ রাখা হয়েছে বাস চলাচল। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। তবে, শুক্রবার (০৩ আগস্ট) রাতে দূরপাল্লার বাস চললেও শনিবার (০৪ আগস্ট) সকাল তা বন্ধ রাখা হয়।

 

 

 

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ভাদুঘর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন পরিবহন শ্রমিকরা। শহরের অভ্যন্তরে চলাচলকারী সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য পরিবহনও বন্ধ করে দেয়া হয়। এসময় বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন শ্রমিকরা। অবরোধের কারণে শহরে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

 

 

 

ময়মনসিংহ: অঘোষিত ধর্মঘটের তৃতীয় দিনে ময়মনসিংহে দূরপাল্লাসহ অভ্যন্তরণী সব রুটের যান চলাচল বন্ধ আছে। বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে অনেকে বাস টার্মিনালে হাজির হলেও বাস না ছাড়ায় বিপাকে পড়েন তারা। গত দু’দিনে রাতে সীমিত আকারে যান চলাচল করলেও আজ থেকে ময়মনসিংহে নৈশ পরিবহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

 

 

 

 

রাজশাহী: রাজশাহীতেও বাস চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা। দীর্ঘ সময় কাউন্টারে বসে থেকেও বাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অনেকে বিকল্প পথে রওনা হন গন্তব্যের উদ্দেশে।

 

 

 

 

 

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামেও চলছে পরিবহন শ্রমিকদের অঘোষিত ধর্মঘট। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দূরপাল্লাসহ অভ্যন্তরীণ বেশ কয়েকটি রুটের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে রাতে ঢাকাগামী বাস চলাচলের ইঙ্গিত দেয় কাউন্টার কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

 

 

সিলেট: অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে নাকাল সিলেট অঞ্চলের মানুষ। সকাল থেকে নগরী কোনো বাসস্ট্যন্ড থেকে দুরপাল্লার যানবাহন ছেড়ে যায়নি। বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ রুটের যানবাহন। এতে দিনে দিনে বাড়ছে যাত্রী দুর্ভোগ।

 

 

 

 

 

নাটোর: নাটোর থেকেও দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। জরুরি প্রয়োজনে বাস না পেয়ে বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। হাতেগোনা দু’একটি বিআরটিসি বাস চলাচল করলেও তাকে কমছে না যাত্রী দুর্ভোগ।

 

 

 

 

 

 

এছাড়া, দিনাজপুর, খুলনা, রবরিশাল, চাঁদপুর, হবিগঞ্জসহ সারাদেশে দূরপাল্লাসহ বেশকিছু জেলায় বন্ধ রয়েছে অভন্তরীণ রুটের যান চলাচল। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।