প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      অর্থসম্পদ গড়ে তোলার জন্য ভাগ্যের চেয়ে পরিশ্রমের ভূমিকা অনেক বেশি। যারা বিপুল অর্থ উপার্জন করেন তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে পেশাদার জীবনের শুরু থেকেই সুশৃঙ্খলভাবে এ জন্য লেগে থাকেন। বিপুল অর্থবিত্তের অধিকারীদের উল্লেখযোগ্য পাঁচটি কর্মকাণ্ড এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ফোর্বস।

 

 

 

 

 

 

১. খোলা মন ও কার্যকর কল্পনা অনুসরণ
সফল ও কার্যকর চাকরিজীবী ও উদ্যোক্তারা মূল বিষয়গুলোর বিষয়ে সহনশীলতা ও খোলা মন নিয়ে কল্পনাকে অনুসরণ করে। এর মাধ্যমেই তারা ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি খুঁজে বেড়ান। তারা নতুন ধারণা বিষয়ে ভীত নয় এবং খোলা মন নিয়ে সব বিষয় গ্রহণে প্রস্তুত থাকে।

 

 

 

 

 

 

২. কার্যকর সফলতা সন্ধানী
সাধারণ কর্মীদের একটি অন্যতম দুর্বলতা হলো তারা ‘অসম্ভব’ কথাটির সঙ্গে খুবই পরিচিত। তারা অকার্যকর সব আইনগুলো মানে। যেসব বিষয় করা সম্ভব হয় না, সেদিকে সাধারণ কর্মীরা বেশি করে নজর দেয়। অন্যদিকে সফলরা সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে থাকে। কোনো কঠিন কাজকে কীভাবে সম্ভব করা যায়, তার চেষ্টা করে। সমস্যা নয়, সমাধানই তাদের লক্ষ্য থাকে। তাদের চিন্তায় অপর্যাপ্ত, চাহিদা, ব্যর্থতা ইত্যাদির কোনো স্থান নেই।

 

 

 

 

 

৩. অনমনীয় সংকল্পই তাদের সফল করে
সবচেয়ে সফলদের দেখা যায় কোনো একটি অর্জনের জন্য দৃঢ় সংকল্প থাকতে। তাদের স্বপ্ন সফল করতে তারা সম্ভাব্য সব উপায়ই অবলম্বন করেন। এতে তারা কোনো আলস্য করে না। যত বাধাই আসুক তা ডিঙিয়ে যেতে চেষ্টা করে। তাদের নিজের ওপরই যে ভাগ্য নির্ভর করছে, তা তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

 

 

 

 

 

 

৪. তারা অন্যদের অনুপ্রাণিত করে
সফল ও ধনীদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অন্যদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা। তারা অন্যদের অনুপ্রাণিত করে এবং তার মাধ্যমে অন্যদের থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে সমর্থ হয়। তাদের ইতিবাচক উদ্যম শুধু তাদের মাঝেই সীমিত থাকে না, তা অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। এটি স্বভাবতই তাদের ব্যবসা বা কর্মক্ষেত্রে সফল করে তোলে।

 

 

 

 

 

 

 

৫. বিরুপ পরিস্থিতিতেও তারা ইতিবাচক থাকে
সফল ও ধনীদের মাঝে বিরুপ পরিস্থিতিতে হাল ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় না। তারা জানে, সবাই ভুল করে। এ কারণে এমন কোনো পরিস্থিতি হলেও তারা তা গ্রহণ করে এবং পূর্ণোদ্যমে এগিয়ে যায়। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায় না। আর এভাবেই তারা হয়ে ওঠে সফল।