প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:     বরগুনার আমতলীতে কালা বাবুকে আসন্ন কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করে আমতলীর গরুর বাজারে আনা হয়েছে । লক্ষীসোনা তৈরির কারিগর সিদ্দিকুর রহমান এবার কালা বাবুর ওজন বানিয়েছেন ১৭ মনের বেশি। এ কালা বাবুকে দেখতে উৎসুক জনতা প্রতিদিন সিদ্দিকুর রহমানে গ্রামের বাড়ী আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে।

 

 

 

 

 

বুধবার বিকালে আমতলী গরুর হাটে কালা বাবুর মালিক সিদ্দিকুর রহমান কালা বাবুকে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন শত শত মানুষ কালা বাবুকে দেখতে ভিড় করছে। উৎসুক জনতা নানা মন্তব্য করছে কালা বাবুকে দেখে।

 

 

 

 

কীভাবে ৩ বছর ৫ মাসে এত বড় ষাঁড় গরু হয়।গরুর মালিক কি খাইয়ে এত বড় করেছে যার ওজন হয়েছে ১৭ মণেরও বেশি।

 

 

 

 

 

কালা বাবুর মালিক সিদ্দিকুর রহমান জানায়, তিন বছর ৫ মাসে এর উচ্চতা হয়েছে ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, লম্বা হয়েছে সাড়ে ৮ ফুট, প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয় কালা বাবুকে। কোনো হরমোন, ক্ষতিকর মেডিসিন ও রাসায়নিক কালা বাবুকে দেয়া হয়নি। তিনি আশা করছেন কালা বাবুর দাম ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা হবে।

 

 

 

 

 

কালা বাবুর খাদ্য সম্পর্কে মালিক সিদ্দিকুর রহমান জানান, কালা বাবুকে চিড়া, গুড়, ভুষি, খড়, কুটা ও ছোলা খাবার দেয়া হয়। এতে প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে দুই থেকে তিন শত টাকা।

 

 

 

 

 

 

 

তিন বছর ৫ মাসে প্রায় পৌনে ২ লাখ টাকা খরচ হয়েছে তার পেছনে।সিদ্দিকুর রহমান আরো জানা এই তিন বছর ৫ মাসে কালা বাবুর কেনো রোগ ও হয়নি।