প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       কেবল যাদের কুরবানি দেয়ার সামর্থ আছে তাদেরই ওপর কুরবানি ফরজ। অনেকের ইচ্ছা থাকে কিন্তু কুরবানি দিতে পারে না সামর্থ  না থাকায়। হাদীসে তাদেরও সুসংবাদ দেয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

হযরত  আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক দীর্ঘ হাদীসে এসেছে যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে দ্বীন সম্পর্কে জানতে এসেছিল।

 

 

 

 

 

ফিরে যাওয়ার সময় নবীজী তাকে ডাকলেন এবং বললেন- ‘‘আমাকে ‘ইয়াওমুল আযহার’ আদেশ করা হয়েছে। (অর্থাৎ এ দিবসে কুরবানী করার আদেশ করা হয়েছে।)

 

 

 

 

এ দিবসকে আল্লাহ এ উম্মতের জন্য ঈদ বানিয়েছেন। লোকটি বলল, আমার কাছে যদি শুধু পুত্রের দেওয়া একটি দুধের পশু থাকে আমি কি তা-ই কুরবানী করব?

 

 

 

 

 

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, না, বরং তুমি সেদিন তোমার মাথার চুল কাটবে (মুন্ডাবে বা ছোট করবে) নখ কাটবে, মোচ কাটবে এবং নাভির নিচের চুল পরিষ্কার করবে।

 

 

 

 

 

 

এটাই আল্লাহর নিকট তোমার পূর্ণ কুরবানী বলে গণ্য হবে।’’ -মুসনাদে আহমদ ২/১৬৯; হাদীস ৬৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস ৭৭৩, ৫৯১৪; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৮৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ৪৩৬৫