প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        এ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হোম ও অ্যাওয়ে জার্সির দেখা মিলেছে বেশ আগে। তবে তৃতীয় জার্সিটা পাওয়া যাচ্ছিল না এত দিন। কাল আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় জার্সিটার সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো।

 

 

 

 

কোরাল পিংক রঙের জার্সিটা পছন্দ হয়েছে সবার। তবে পছন্দের তালিকায় সবার আগে স্থান দিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। কারণ, রিয়ালের এই জার্সি বানানো হয়েছে সাগরে ভেসে থাকা প্লাস্টিকের আবর্জনা দিয়ে।

 

 

 

 

 

সাগরে ভেসে থাকা প্লাস্টিকের আবর্জনা নিয়ে অনেক দিন ধরেই পরিবেশবাদীরা সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। মানুষের ফেলে দেওয়া এই বোতলগুলো সমুদ্রের প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

 

 

 

 

 

এ কারণে অ্যাডিডাস নিয়েছিল দারুণ এক উদ্যোগ। ফেলে দেওয়া বোতলগুলো থেকেই তৈরি করেছে বিশেষ এক জার্সি। এর আগে ২০১৬ সালে রিয়াল ও বায়ার্ন মিউনিখ নিজ নিজ লিগে একটি ম্যাচ ঠিক এমনই এক জার্সি গায়ে চাপিয়ে মাঠে নেমেছিল।

 

 

 

 

 

আর এবার পুরো মৌসুমেই রিয়াল গায়ে চাপাবে এ জার্সি। এ জার্সির কলারে একটি স্ট্রিপ থাকছে, তাতে লেখা রয়েছে ‘সাগরের জন্য’।

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে অ্যাডিডাস সহযোগিতা পাচ্ছে পারলে ফর দ্য ওশেনের। সমুদ্রের আবর্জনা থেকে সৃষ্ট জার্সি বানানোর বস্তুটি প্রস্তুতে মূল ভূমিকা রেখেছে পারলে। এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সাইরিল গাশচ জানিয়েছেন, রিয়ালের মতো ক্লাবকে এমন উদ্যোগে সঙ্গী পেয়ে কতটা উৎফুল্ল তারা, ‘আমাদের বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতা আছে রিয়াল মাদ্রিদের।

 

 

 

 

 

 

পৃথিবীজুড়ে ওদের যত অনুসারী, তাদের কাছে এটা পৌঁছাতে এবং তাদের কাজে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে রিয়াল প্রভাব রাখতে পারবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এ বার্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা চারটি মহাসাগরের টিকে থাকার কথা বলে, চারটি প্রজাতির কথা বলে।

 

 

 

 

 

 

 

সমুদ্রে প্লাস্টিকের আবর্জনা যে ভয়ংকর সমস্যা সৃষ্টি করছে সেটার কথাও মনে করিয়ে দেয়। এটা প্লাস্টিক নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং একে ভয়ংকর ক্ষতিকর ও অগ্রহণযোগ্য এক বস্তু হিসেবে এর পরিচয় জানায়।’

 

 

 

 

 

 

পরিবেশ রক্ষার এ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য একজন সমর্থকের খরচ হবে ৬৪ দশমিক ৯৫ পাউন্ড।