প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে মেসের সামনে রোডে দাড়িয়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মোবাইল ফোনে আলাপ করছিলেন। ওই সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের পিএসআই খালেকুল বাদশাসহ ৫ পুলিশ এসে তাকে টহল গাড়ির কাছে ডাকেন।

 

 

 

 

 

অবশ্য ডাক পেয়ে আসলাম কাছে ছুটে গেলে তাকে তল্লাশি করার করার নির্দেশ দেন পিএসআই বাদশা। তবে তল্লাশি করার প্রয়োজন নেই জানিয়ে আসলাম নিজের সাথে থাকা সকল কিছু বের করে দেওয়ার বিষয়টি অবহিত করেন।

 

 

 

 

 

এসময় আসলাম আদালতে কর্মরত থাকার বিষয়টিও পুলিশ কর্মকর্তাকে জানান দেন। মূলত এই পরিচয় পাওয়ার পরপরই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন পিএসআই খালেকুল বাদশা।

 

 

 

 

 

একপর্যায়ে গালাগালি করার পাশাপাশি এমএলএসএস আসলাম খানকে এলোপাতারি পিটিয়ে আহত করে পুলিশরা। মারধরে আসলাম অচেতন হয়ে পড়লে সড়কে ফেলে চলে যান পুলিশ কর্মকর্তা।

 

 

 

 

 

গভীর রাতে জ্ঞান ফিরলে আসলাম বাসায় চলে যান। কিন্তু শরীরে গুরুতর জখম হওয়ায় বুধবার (০৮ আগস্ট) খুব সকালে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

 

 

 

 

 

রক্তাক্ত আসলাম বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এমএলএসএস বলে জানিয়েছেন সেখানকার নাজির কামরুল হাসান। তবে তিনি চাকুরি করার সুবাদে আদালত লাগোয়া টিঅ্যান্ডটি কলোনীর মসজিদ মেসে ভাড়া থাকেন।

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট আদালতের নাজির কামরুল হাসান জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি সম্পর্কে ইতোমধ্যে অবগত হয়েছেন। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

 

 

 

 

যদিও পুলিশ কর্মকর্তা বাদশা মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, গভীর রাতে ওই ব্যক্তিকে পেয়ে তল্লাশির প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু তিনি এতে বাধা প্রদান করেন।

 

 

 

 

যে কারণে তখন তাকে ২/৪ টি পিটুনি দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপরাধ ব্যক্তিকে কেন পিটুনি দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তোর নেই এই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে।

 

 

 

 

 

 

এই বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোশারেফ হোসেনের ভাষ্য হচ্ছে, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।