প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:       দেয়ালটির একপাশে লেখা, ‘তোমার যা প্রয়োজন নেই তা এখানে রেখে যাও।’ অন্যপাশে লেখা, ‘তোমার দরকারি জিনিস পেলে নিয়ে যাও।’ ‘মহানুভবতার দেয়াল’ জুড়ে শোভা পাচ্ছে পুরনো পোশাক থেকে শুরু করে নানা পণ্য।

 

 

 

 

 

চমৎকার, অভিনব ও মহৎ এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিশোরগঞ্জের দক্ষিণ মুকসুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নেপথ্যের মানুষ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাজনীন মিষ্টি।

 

 

 

 

শিক্ষার্থীরাও এই মহৎ কাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করে দারুণভাবে তৃপ্ত হচ্ছে। তাঁদের অপ্রয়োজনীয় জামা ও অন্যান্য জিনিসপত্র রাখছে ‘মহানুভবতার দেয়ালে’।

 

 

 

 

 

একজনের কাছে যা তুচ্ছ-অপ্রয়োজনীয়, অন্যজনের কাছে তা-ই হয়তো মূল্যবান। কেউ যেটা ময়লার ঝুঁড়িতে ফেলে আবর্জনা হিসেবে, সেটাই কারো কাছে হয়ে ওঠে কাঙ্ক্ষিত পণ্য! এমনটি যদি দেশের সব জায়গায়, সর্বক্ষেত্রে দেখা যেত!

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন নাট্যকার শফিকুর রহমান শান্তুনু। সেখানে উদ্যোক্তাদের শুভকামনা জানাতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি অবাক হয়ে কিছুক্ষণ সেই মহানুভবতার দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুদের হাসিমুখের ছবি দেখতে দেখতে কখন যেন মনে হল, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসছে। অনেক শুভকামনা তোমাদের জন্য…।’