প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        কমছে না সৌদি-কানাডা উত্তাপ। মানবাধিকার ইস্যুতে একটি বিবৃতির কারণে সম্প্রতি কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে কানাডা ও সৌদি আরব।

 

 

 

 

এরপর থেকেই সৌদি সরকার বিভিন্ন প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতির জবাব দিয়েছে। প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের মধ্যে রিয়াদ থেকে কানাডিয়ান রাষ্ট্রদূতকে বহিস্কার করা হয়েছে, অটোয়া থেকে সৌদির রাষ্ট্রদূতকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

এছাড়া কানাডার টরেন্টো শহরগামী সৌদির রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্স বাতিল করেছে সৌদি সরকার। আর এদিকে কানাডায় কয়েক হাজার শিক্ষাবৃত্তিও বাতিল করেছে সৌদি। খবর লোকাল নিউজ, টিআরটি ওয়ার্ল্ড, সিবিসি নিউজ।

 

 

 

 

 

গত ৭ আগস্ট মঙ্গলবার কানাডায় সব চিকিৎসাসেবা প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। সৌদির রোগীদের কানাডার বাইরের হাসপাতালে স্থানান্তর করে।

 

 

 

সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবেদ আল জুবায়ের বলেন, সৌদির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য কোনও রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। কানাডা ভুল করেছে। এ ভুল তাদেরই সংশোধন করতে হবে।

 

 

 

 

মানবাধিকার ইস্যুতে সৌদি সরকারের অতিমাত্রায় প্রতিক্রিয়া সঠিক নয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যানডারস সৌদির প্রতিক্রিয়াকে ‘ভয়ানক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

 

 

 

 

সৌদি আরবের হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর গবেষক হিবা জায়াদিন বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভিন্নমতের ওপর তীব্র দমন নীতি প্রয়োগ করেন।

 

 

 

 

সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকজন নারী অধিকার কর্মীকে আটক করেছে যাদের মুক্তির আবেদন জানিয়েছে কানাডা। এ ঘটনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

 

 

 

 

 

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত বুধবার জানিয়েছে, এ ঘটনার জন্য তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চাইবেন না।কিন্তু রিয়াদ বলছে, তারা অটোয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

 

 

 

 

 

 

দেশ দুটির মধ্যে সোমবার থেকেই উত্তেজনা চলছে। এ যেন থামছে না।