প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        একথা অবিশ্বাসের কিছু নেই। বর্তমানে যেখানে দুদিনের প্রেমেই প্রেমিক-প্রেমিকারা যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে পড়েন, সেখানে গভীরতা যুক্ত প্রেমে যৌনতা আসতে বাধ্য।

 

 

 

 

 

এতে অস্বাভাবিকও কিছু নেই। কিন্তু সেই সম্পর্কে ছেলে-মেয়ে অভয় পক্ষেরই সম্মতি থাকে। সুতরাং সম্পর্ক শেষ হলে ঘটনাকে ভুলভাবে সাজিয়ে শুধুমাত্র প্রেমিককে ধর্ষণের দায়ে দায়ী করা যাবে না। সোমবার এরকমই নির্দেশ দিলো বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ।

 

 

 

 

 

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে আদালতে এসেছিলেন এক মহিলা। নিম্ন আদালত সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেমিককে ৭ বছরের জেল এবং ১০০০০ হাজার টাকা জরিমানা নিৰ্দেশ করে। তারপরই নিজের জন্য বিচার চাইতে হাইকোর্টে আসে সেই প্রেমিক। সেই মামলাতেই নিম্ন আদালতের নির্দেশ খারিজ করে বম্বে হাইকোর্ট।

 

 

 

 

 

গোয়ার এক ক্যাসিনোর রাঁধুনি ছিলেন যোগেশ নামের প্রেমিক। তার সাথেই প্রেম হয় তার সহকর্মীর। একদিন তারা ঠিক করেন যোগেশের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন।

 

 

 

 

কিন্তু দেখা করতে গিয়ে দেখেন তার মা-বাবা সেখানে উপস্থিত নেই। সুতরাং সেই রাতটি যোগাচের বাড়িতেই কাটান অভিযোগকারিণী। যৌন মিলনে লিপ্ত হন তারা, পরদিন তাকে বাড়ীতে পৌঁছেও দেন যোগেশ. এরপরেও অনেকবার তারা যোগেশের বাড়িতেই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।

 

 

 

 

 

কিন্তু কিছুদিন পর নিম্ন বর্ণ থেকে উঠে এসেছে বলে প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করেন যোগেশ/। তারপরই আদালতের দ্বারস্থ হন সেই মহিলা।

 

 

 

 

 

কিন্তু হাইকোর্ট জানায়, শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর সময় প্রেমিকার নিজেরও সম্মতি ছিল। জোগেশকে মাঝেসাঝে আর্থিক সাহায্যও করেন তিনি. যোগেশ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অভিযোগ প্রত্যাহারও করেছিলেন ওই মহিলা।

 

 

 

 

 

 

 

 

এর থেকেই স্পষ্ট যে তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল। যোগেশ তাকে শোষণ করেননি। তাই বিয়ে করবেন না বলে ধর্ষণের অভিযোগ আনা যুক্তিযুক্ত নয় বলে জানায় হাইকোর্ট।