প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :    এ বছরের জুন মাসে ঢাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এই জলাবদ্ধতায় ডুবে যায় ঢাকার অনেকগুলো জায়গা।মেয়র আনিসুল হক নেমে পড়েন এর কারণ খুঁজতে। বৃষ্টিতে ভিজে তিনি নগরীর আশেপাশে ঘুরে বেড়ালেন কোথায় পানি আটকে থাকে দেখতে। কয়েকটি স্থানকে চিহ্নিতও করেন। দেখা যায় পানি নির্গমণের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

 

 

 

এরকম একটি স্থানকে চিহ্নিত করেন। ঢাকা সিটি করপোরেশনের পেইজে উল্লেখ করা হয়, ‘সোমবার রাজধানীর খিলক্ষেত, কুড়িল ও ৩০০ ফিট (পূর্বাচল এক্সপ্রেস হাইওয়ে) এলাকা পরিদর্শনে যান মেয়র আনিসুল হক। সংলগ্ন অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পানি সরার প্রণালী ও খাল বন্ধ করে দিয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এইসব প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র। পরে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে জলাবদ্ধতা দূর করার কাজ সমন্বয় করার উদ্দেশে বৈঠকে বসেন।

 

 

 

একটি ভিডি বার্তায় তিনি কঠোরভাবে নির্দেশ দেন। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। মেয়র আনিসুল হকের এরকম অসংখ্য উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা আছে যেগুলো গল্পের মতো শোনায়।

 

 

 

 

আনিসুল হক বলতেন যে কোনো প্রতিবন্ধকতা দেখলেই তাকে যেন জানানো হয়। নগরবাসী কোনো সমস্যায় পড়লেই তাঁকে জানাতেন। ফেসবুকে মেসেজ করতেন। আনিসুল হক ছুটে যেতেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় আনিসুল হকের মৃত্যুর খবরে শোক বইছে। তার বিকল্প কেউ হবে না- কেউ এমন মন্তব্যও অনেকের। অনেকেই বলছেন- আনিসুল হক নেই এখন কাকে অভিযোগ জানাবেন তারা।