প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বেলা তিনটা থেকে চারটার মধ্যে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

 

 

 

ঢাকার গাবতলী, যাত্রাবাড়ী ও গুলিস্তান এলাকায় অজ্ঞান পার্টির শিকার হন ওই ছয়জন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে এনে তাঁদের সবাইকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

যাত্রাবাড়ী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, যাত্রাবাড়ী থেকে কামাল (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

 

 

 

কামাল জানিয়েছেন, বাসে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন তিনি। তাঁর বাসা মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায়। তাঁর পকেটে ২০০ টাকা ও একটি মোবাইল সেট ছিল। সেগুলো পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

 

 

অন্যদিকে মোকছুদ (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় গুলিস্তানে গোলাপ শাহ মাজারের পাশে পাওয়া যায়। বাস থেকে ইউসুফ নামের আরেক যাত্রী তাঁকে উদ্ধার করে বেলা সোয়া ৩টায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

 

 

 

 

তাঁর কাছ থেকে কী খোয়া গেছে, তা জানা যায়নি। একই সময় গুলিস্তানের পুলিশ বক্সের সামনে মেঘনা পরিবহনে ফরহাদ (৩৫) নামের একজনকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মামুন তাঁকে উদ্ধার করে ঢামেকে ভর্তি করান।

 

 

 

 

 

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া জানিয়েছেন, যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়কে ঢাকা-গাবতলী পথে চলাচলকারী একটি বাস থেকে অচেতন অবস্থায় ছিদ্দিক আলীকে (৭৫) উদ্ধার করেন বাসের যাত্রী আশরাফুজ্জামান।

 

 

 

 

 

 

 

তাঁকে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হাসপাতালে আনেন আশরাফুজ্জামান। ছিদ্দিকের পরিচয়পত্র থেকে জানা গেছে, তাঁর বাবার নাম সুন্দর আলী। হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জের চরনুর আহামেদ গ্রামে ছিদ্দিকের বাড়ি। আশরাফুজ্জামান জানিয়েছেন, ছিদ্দিক বাসে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তাঁর পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

এদিকে মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে গাবতলী এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় আশরাফ (৪৮) নামের এক চামড়া ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন তাঁর স্বজনেরা।

 

 

 

 

 

আশরাফের স্ত্রী আয়েশা বেগম জানান, আশরাফ সকালে হেমায়েতপুরে গিয়েছিলেন। পরে লোকজনের মাধ্যমে খবর আসে, তিনি অচেতন অবস্থায় গাবতলীতে পড়ে আছেন। ধারণা করা হচ্ছে তাঁর কাছে থাকা কিছু টাকা খোয়া গেছে, তবে তার পরিমাণ জানা যায়নি।

 

 

 

 

 

 

অপরদিকে গুলিস্তানে বুধবার বিকেলে জিয়াউর জিয়া (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ী অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন। পরে পথচারীদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

 

 

জিয়ার বোন আমরিন পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। জিয়ার একটি রিকশার গ্যারেজ আছে। তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা খোয়া গেছে।