প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        যৌন ব্যবসা বা যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়া নতুন কিছু নয়। সমাজের নাকের ডগায় প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে যৌন ব্যবসা চলমান দেশের আনাচে কানাচে। তবে সিলেট শহরসহ ভিন্নসব কৌশল অবলম্বনে যৌন ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই ।

 

 

 

 

 

বিশেষ করে শহরের লালধিঘীর পার সুনালী নামক স্পটে যৌন ব্যবসা রমরমা। বিভিন্ন হোটেলের ম্যানেজারের তথ্য মতে, অনেক সময় শহর ও জেলার বাহিরের কলেজের ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাসের জন্য হোটেলে আসে এবং সেই সুত্রপাত থেকে মেয়ে যৌন কর্মীর সন্ধান পাওয়া যায় কখন বা যৌন কর্মিরাই যোগাযোগ করে থাকে।

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে যৌন কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের মধ্যে সিংহ ভাগ শিক্ষার্থী। বাহিরের জেলা থেকে সিলেট জেলায় পড়তে আসা মেয়েরা নিজেদের প্রয়োজনিয় চাহিদা ও যুগের সাথে সমতা বজায় রাখা এমনকি দৈহিক ক্ষুধার তাড়নাতেও অনেকেই এই যৌন ব্যবসা লিপ্ত হয়।

 

 

 

 

 

সমাজ ও দেশের প্রচলিত আইনের চোখে অপরাধী হলেও সময়ের স্রোতে যেন ভেসে যাচ্ছে সব অন্যায়। সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা জানাচ্ছেন, ‘বর্তমান প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারনে হোটেলেন ব্যবসা তেমন ভাল না। তবে কিছু মহলকে উৎকোচ দিয়ে এই যৌন ব্যবসা চলছে বলেও স্বীকারোক্তি তাদের ।

 

 

 

 

 

 

অনৈতিক এসব কার্যকলাপের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন বলেছেন, মানুষের নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে এ ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ হওয়া একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসন ও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফল স্বরুপ বিগত কয়েক দিন আগে অভিযান চালায় সিলেট মহানগর ডিভি পুলিশ।

 

 

 

 

 

 

এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৬ যৌনকর্মী ও ১ খদ্দেরকে আটক করা হয়। এছাড়া হোটেল থেকে জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ কনডম, লুব্রিক্যান্ট ও যৌন উত্তেজক ঔষুধ।

 

 

 

 

 

আটকের পর যৌনকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদে, দীর্ঘ দিন ধরে এই হোটেলে বাণিজ্যিকভাবে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে এবং শহরের অন্যান্য হোটেলের সাথে তাদের যোগ সুত্র আছে।

 

 

 

 

 

 

অসামাজিক কার্যকলাপ মুক্ত করে যৌন কর্মীদের সুন্দর একটি সমাজ উপহার দিতে হবে। অন্য সাধারন মানুষের মত তাদেরও স্বাভাবিক জীবন যাপন করার অধিকার আছে। ব্যতিক্রমি সব কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে রমরমা দেহ ব্যবসা।