প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার রাজনীতি বহন করছে খালেদা, বিএনপি ও জামায়াত। তাই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুকে নিরাপদ করতে হলে তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও সমাজের বাইরে রাখতে হবে।

 

 

 

 

রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ বেতার খুলনা চত্বরে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ভাস্কর্য উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

 

 

 

 

 

 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ যদি আর হোঁচট খেতে না চায়, বাংলাদেশে অস্বাভাবিক সরকার দেখতে না চান, বাংলাদেশে আর যদি রাজাকার সমর্থিত সরকার দেখতে না চান তাহলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার রাজনীতির ধারক বিএনপি-জামায়াতকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে হবে। রাজাকার-মুক্তিযোদ্ধাদের সহাবস্থান পরিত্যাগ করতে হবে। দানব আর মানব এক সঙ্গে রাজনীতি করতে পারে না, এক সঙ্গে বসবাস করতে পারে না।

 

 

 

 

 

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, পলাশীর যুদ্ধে মীর জাফরের বেঈমানির ধারায় জিয়াউর রহমান খোন্দকার মোশতাকের পর চার নম্বর বেঈমান। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির ময়দানে বিএনপি নামক বিষবৃক্ষ রোপন করেছেন। এখন এ বিষবৃক্ষ বিএনপি রাজাকার, জঙ্গিসহ সব খুনিদের ঠিকানা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে আলোর পথে টেনে তুলছেন। আর তারা অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে চায়।

 

 

 

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন বাংলাদেশের সমার্থক। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্ন-অবিভক্ত, তিনি বিশ্বনেতা, শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক। আর শেখ হাসিনা হলেন আমাদের মাথার ছাতা।

 

 

 

 

 

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল। বক্তব্য রাখেন- সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, বেতারের কর্মসূচি পরিচালক মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

 

 

 

 

 

উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার মো. রকিবুল ইসলাম, বাংলাদেশ বেতারের উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) হোসনে আরা তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান, উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) সালাউদ্দীন আহমেদ, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) খান মো. রেজাউল করিম প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

এরআগে তথ্যমন্ত্রী আট কোটি ২৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ভাস্কর্যের ফলক উম্মোচন করেন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।