প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        দুই কোরিয়া আগামী সেপ্টেম্বরে পিয়ংইয়ংয়ে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে। আজ সোমবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত আসে। এই দুই দেশের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করতে চলতি বছর এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণের একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

 

 

কিছুদিন আগেও উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধাবস্থা ছিল। গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজমের পিস হাউসে বৈঠক করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন। আর এর পরই পাল্টে যায় চিত্র। ওই দুই বৈঠকেই পরবর্তী সময়ে সম্মেলনের বিষয়ে রাজি হন দুই নেতা। সিদ্ধান্ত হয়, আগামী শরতে বৈঠকটি হবে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে।

 

 

 

 

 

 

ওই বৈঠকের বিষয়ে আজ আবার পানমুনজমে আলোচনায় বসেন দুই কোরিয়ার কর্মকর্তারা। আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ-বিষয়ক মন্ত্রী চো মিয়োং-গিয়োন ও উত্তর কোরিয়ার পুনরেকত্রীকরণ কমিটির চেয়ারম্যান রি সোন গোন প্রতিনিধিত্ব করেন।

 

 

 

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রি সোন গোন বলেন, সময় ও স্থানের মতো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। তিনি বলেন, দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিছু বাধা দূর করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

 

 

 

 

চলতি বছর দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্মেলনে অংশ নেয় উত্তর কোরিয়া। এপ্রিলের ঐতিহাসিক সম্মেলনের পর হঠাৎ করেই মে মাসে দুই দেশের সীমান্ত শহর পানমুনজমে আবারও বৈঠক করেন কিম ও মুন। মুন যদি পিয়ংইয়ংয়ে যান, তাহলে সেটি হবে উত্তর কোরিয়ার রাজধানীতে এই বছর প্রথম কোনো দক্ষিণ কোরীয় নেতার সফর।

 

 

 

 

 

পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণে দীর্ঘদিন থেকেই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। গত জুনে সিঙ্গাপুরে এক ঐতিহাসিক বৈঠক করেন কিম এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই বৈঠকের পর কোরীয় উপত্যকায় পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হন কিম।