প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:        স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন মোহম্মদ আশরাফুল। সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলো আজ সোমবার। ফের জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের আশা করছেন বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক।

 

 

 

সম্প্রতি আশরাফুল বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ২০১৮ ১৩ আগস্টে অপেক্ষায় ছিলাম। পাঁচ বছর আগে আমি দোষ স্বীকার করেছিলাম। আমি গত দু’টি মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছি। আমার মনে হয়, আমি জাতীয় দলে সুযোগ পেতে পারি।

 

 

 

 

২০১৩ সালে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হন আশরাফুল। তবে ২০১৬ মৌসুম থেকে ডান হাতি এই ব্যাটসম্যানকে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

 

 

 

 

 

২০১৭-১৮ মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যাটসম্যান। সেই কারণেই তিনি ফের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়ার আশা করছেন।

 

 

 

 

 

যদিও জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহূর্তে আশরাফুলকে দলে ফেরানোর কোনো সুযোগ নেই।
রোববার নান্নু বলেন, লম্বা সময় ধরে সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেট খেলেনি।

 

 

 

 

 

তাই এখন তাকে ঘরোয়া ক্রিকেটের সব ধরনের ফরম্যাটে ভালো খেলতে হবে। তাছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য তার ফিটনেসের প্রমাণও দিতে হবে, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো এক বছর পর আমরা তার অবস্থা জানতে পারবো।

 

 

 

 

 

৩৫ বছর বয়সী দক্ষিণ আফ্রিকার ডেইল স্টেন, ৩৬ বছর বয়সে ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসন ২২ গজে নিজেদের সেরাটা দিচ্ছেন। উপমহাদেশের ৪০ বছর বয়সী লঙ্কান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ আর ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এমএস ধোনি এখনও ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছেন। আর টাইগার দের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ৩৪ বছর বয়সী মাশরাফি বিন মুর্তজা আশরাফুলের সমবয়সী।

 

 

 

 

প্রধান নির্বাচক বলেন, বয়স কোনো ব্যাপার না। তার ফিটনেস আন্তর্জাতিক মানের হলে তাকে অবশ্যই বিবেচনা করা হবে। সে অবশ্যই আমাদের দেশের অনেক ভালো প্লেয়ার। তার সামর্থ্য আছে। তবে আপাতত তাকে নিয়ে কিছু বলতে পারব না।

 

 

 

 

 

২০০১ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে অভিষেক ম্যাচেই টেস্টের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন আশরাফুল। রেকর্ডটি এখনও রয়েছে অক্ষত। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের প্রথম তারকা ক্রিকেটার।

 

 

 

 

 

২০১৩ সাল পর্যন্ত ৬১ টেস্ট মোট গড়ে ২৪.০০। ক্যারিয়ারে ২ হাজার ৭৩৭ রানে সঙ্গে আছে ছয়টি শতক আর আটটি অর্ধশতকের ইনিংস।
ওয়ানডেতে ১৭৭ ম্যাচে ২২.২৩ গড়ে মোট রান ৩ হাজার ৪৬৮। ছিল ২০টি অর্ধশতকের পাশাপাশি রয়েছে তিনটি শতক। টি-টোয়েন্টিতে ২৩ ম্যাচে করেছেন মোট ৪৫০ রান।