প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      জীবিত মানুষের জীবনে বিয়ে তো স্বাভাবিক ঘটনা; কিন্তু প্রশ্ন জাগতে পারে যে, বিয়ের পাত্র-পাত্রীদের একজন যদি মৃত হন, তখন কিভাবে বিয়ে হবে?

 

 

 

 

 

হ্যাঁ পাশ্চাত্যে এ বিষয়টা ঘটে। একে‘পোসথুমাস ম্যারেজ’বা‘নেক্রোগ্যামি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। চলুন জানা যাক, তেমনই বিচিত্র একটি নেক্রোগ্যামির ঘটনা।

 

 

 

 

 

পুলিশ অফিসার এরিক ডেমিকেল ও ক্রিস্টেল ডেমিকেলের দেখা হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সময়ের সাথে সাথে এ পরিচয়ই একদিন পরিণয়ের রুপ ধারণ করে।

 

 

 

 

একসময় তারা ‘কমন-ল’ম্যারেজটাও সেরে নেন। এর মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে দুজনের বিয়ের স্বীকৃতি না মিললেও, আইনগতভাবে তারা একে অপরের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হন।

 

 

 

 

 

অবশেষে আসে ২০০২ সাল, ক্রিস্টেলের জীবনের ভালোবাসা কেড়ে নিয়েছিল যে বছরটি। ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় পরলোকে পাড়ি জমান এরিক। ক্রিস্টেল তখন এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। দুঃখজনক কথা হল, কয়েক সপ্তাহ পর তার গর্ভের সন্তানটিও মারা যায়।

 

 

 

 

একসময় ক্রিস্টেল নেক্রোগ্যামি সম্পর্কে জানতে পারেন। তারপরই তিনি নিজের আর এরিকের পরিবারকে রাজি করান মৃত এরিকের সাথে তার বিয়েটা ধর্মীয়ভাবে সেরে ফেলার ব্যাপারে।

 

 

 

 

 

এ ঘটনা এরিককে ক্রিস্টেলের জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পারলেও তাকে দিয়েছিল মানসিক প্রশান্তি। তার ভাষ্যমতে, “বিয়েটার মাধ্যমে আমি যেন নতুন করে কোনোকিছু গড়ে তুলতে পারলাম, যা আসলে আরো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। সেই সাথে এর মাধ্যমে আমার ভবিষ্যৎ জীবনটাকেও গড়ে নিতে পারলাম।”