প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক:      সামর্থবান পুরুষ ও নারীর জন্য হজ জীবনে একবার ফরজ। সামর্থবানদের জন্য সর্বোত্তম আমলও হজ। আর এ কারণেই কবুল হজের বিনিময়ও অনেক বড় এবং ফজিলতপূর্ণ। তাই হজ পালনে পুরুষ ও নারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

 

 

 

 

ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বারবার হজ করা আমাদের অনেকের জন্যই সম্ভব নয়। কেননা হজ প্রথমত আর্থিক ইবাদত। আর হজ পালনে শারীরিক সক্ষমতা থাকা অনেক বেশি জরুরি। আর নারীদের হজ তো আরো ব্যয় সাপেক্ষ। কারণ তাদের হজ পালনে একজন মাহরাম সাথে থাকা আবশ্যক।

 

 

 

 

 

হাদিস শরিফে এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনা। আবার জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। তৃতীয়বার জিজ্ঞাসা করা হলো অতঃপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরূর (কবুল হজ)।’ (বুখারি)

 

 

 

 

 

 

হজপালনকারীদের জন্য আকাক্সক্ষার সর্বোচ্চ লক্ষ্য বস্তু হলো মাবরূর হজ। উম্মুল মুমিন হজরত আয়েশা রা. প্রিয়নবির কাছে সর্বোত্তম আমল ‘জিহাদ’-এ অংশগ্রহণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের জন্য মাবরূর হজকে সর্বোত্তম জিহাদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

 

 

 

 

 

হজরত আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! জিহাদ করাকে আমরা সর্বোত্তম আমল মনে করি। কাজেই আমরা কি জিহাদ করবো না? তিনি বললেন- না, বরং তোমাদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ হলো, হজে মাবরূর।’ (বুখারি)

 

 

 

 

 

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আমি আল্লাহর রাসুলকে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গোনাহ থেকে বিরত থাকলো, সে ওই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে হজ থেকে ফিরলো, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।’ (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)

 

 

 

 

 

 

অন্য হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা রা. বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এক ওমরার পর আর এক ওমরা উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) জন্য কাফফারা। আর জান্নাতই হলো মাবরূর হজের প্রতিদান।’ (বুখারি ও মুসলিম)